
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার বনগ্রাম আনন্দ কিশোর স্কুল এন্ড কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি ও ময়মনসিংহ আঞ্চলিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সাবেক উপ-পরিচালক ফেরদৌস আহম্মেদ ভূঁইয়ার নানা অনিয়মের বিরুদ্ধে এলাকাবাসী ফুঁসে উঠেছে।
মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষুব্ধরা বনগ্রাম ইউনিয়নবাসীর ব্যানারে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচিতে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত ও বিচারের দাবি জানিয়েছেন তারা।
মানববন্ধন চলাকালে স্থানীয় বাসিন্দা ও কিশোরগঞ্জ জজকোর্টের এপিপি রফিকুল ইসলাম চঞ্চল অভিযোগ করে বলেন, ‘সম্পূর্ণ কারচুপিরর মাধ্যমে ফেরদৌস আহম্মেদ ভূঁইয়া বনগ্রাম আনন্দ কিশোর স্কুল এন্ড কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি হয়েছেন। একই স্কুলে নিজের বড় বোনকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে স্থানীয়দের মধ্যে একধরনের ক্ষোভ বিরাজ করছে’।
স্থানীয় অপর বাসিন্দা ও কিশোরগঞ্জ জজকোর্টের এপিপি জামাল উদ্দিন খান মার্শাল অভিযোগ করে বলেন ‘আওয়ামী লীগের তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রীর মাধ্যমে ফেরদৌস আহম্মেদ ভূঁইয়া নিয়োগ প্রাপ্ত হয়ে প্রমোশন পেয়েছিলেন। পরে তিনি ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক থাকাকালীন এবং উপ-পরিচালক হয়ে কোটি কোটি টাকা কামিয়েছেন। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসে তার দুর্নীতির প্রমাণ পেয়ে তাকে ওএসডি করে। এখন তিনি কিশোরগঞ্জ গুরুদয়াল সরকারি কলেজে কর্মরত রয়েছেন’।
কর্মসূচি চলাকালে এলাকাবাসীর সাথে মানববন্ধনে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা অ্যাডভোকেট হারুন অর রশিদ (জাপানী হারুন), অ্যাডভোকেট আনিসুজ্জামান খোকাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
এ ব্যাপারে ফেরদৌস আহম্মেদ ভূঁইয়ার সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি তার বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর অভিযোগ প্রসঙ্গটি ভিত্তিহীন বলে মন্তব্য করেন। এ সময় তিনি স্কুলের সভাপতি হওয়ার আগেই তার বোন ওই পদে চাকরি করছেন এবং ময়মনসিংহে তিনি চাকরিকালীন যদি কোন অনিয়ম থেকে থাকে তাহলে সেটি বিভাগীয় তদন্তের বিষয় উল্লেখ করেন। এখানে কতিপয় ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে স্থানীয়ভাবে নানা নেতিবাচক প্রচারণা চালাচ্ছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন।
Leave a Reply