
ময়মনসিংহের নান্দাইলে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিবাদমান জমিতে জোরপূর্বক দোকানঘর ভাঙচুর করে নতুন স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, উপজেলার শেরপুর ইউনিয়নের পাঁচরুখী মৌলভী বাজারের ৫.২৫ শতাংশ জমি নিয়ে আদালতে দেওয়ানি মামলা দায়ের করেন একই উপজেলা জাহাঙ্গীরপুর ইউনিয়নের উত্তর কিছমত বনগ্রামের মৃত ডা. আব্দুল হাকিমের ছেলে স্কুল শিক্ষক নূরুল আলম। এতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা (মামলা নং- ৪৮৮/২০২১) বলবৎ থাকা সত্বেও শেরপুর ইউনিয়নের মাদারীনগর গ্রামের মৃত জমির উদ্দিনের ছেলে হাবিবুর রহমান হারিছ ও আকরাম হোসেন গায়ের জোরে স্থাপনা নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। আদালতের আদেশে বলা হয়, মূল মোকদ্দমা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিবাদীগণ ও তাদের সহায়তাকারীরা নালিশি জমিতে প্রবেশ, উচ্ছেদ, দখল গ্রহণ, দোকানঘর ভাঙচুর বা দাঙ্গা-হাঙ্গামার মাধ্যমে দখল পরিবর্তনের চেষ্টা করতে পারবেন না এবং আদালত এ বিষয়টি তদারকির জন্য নান্দাইল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জকে নির্দেশও প্রদান করে। ভুক্তভোগী পরিবার অভিযোগ করেন, আদালতের এই স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও বিবাদীগণ পেশিশক্তির জোরে বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) বিকেলে এবং পরদিন শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সকালেও বিরোধপূর্ণ জমিতে প্রবেশ করে পুরাতন দোকানঘর ভাঙচুর ও জোরপূর্বক নতুন স্থাপনা নির্মাণ কাজ করছে।
মামলার বাদি নুরুল আলম বলেন, “আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ায় আদালতের শরণাপন্ন হই। কিন্তু বিবাদীগণ দাঙ্গাবাজ ও সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোক হওয়ায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও গায়ের জোরে আমার দোকান ভাঙচুর করছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই ও আদালতের আদেশ বাস্তবায়নের দাবি জানাই।”
এ বিষয়ে নান্দাইল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকার জালাল উদ্দিন মাহমুদ বলেন, আদালত নিষেধাজ্ঞা দিলেও তা না মেনে জোরপূর্বক স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করে গোলযোগের সৃষ্টি করছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। অপরদিকে অভিযুক্ত হাবিবুর রহমান হারিছ গংয়ের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাদের বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
Leave a Reply