1. admin@bdchannel4.com : 𝐁𝐃 𝐂𝐡𝐚𝐧𝐧𝐞𝐥 𝟒 :
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১৯ অপরাহ্ন

কুলিয়ারচরে মিথ্যা চাঁদাবাজির অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন

মুহাম্মদ কাইসার হামিদ, স্টাফ রিপোর্টার, কুলিয়ারচর, কিশোরগঞ্জ।।
  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৩১ বার পড়া হয়েছে

 

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার ছয়সূতী  ইউনিয়নের মাধবদী গ্রামের বাসিন্দা স্থানীয় ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. মিনার মিয়াসহ তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত মিথ্যা চাঁদাবাজির অভিযোগ ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টার দিকে উপজেলার মাধবদী চার রাস্তার মোড়ে মাধবদী গ্রামের একাংশের নারী- পুরুষের অংশগ্রহণে এ কর্মসূচি পালিত হয়।

স্থানীয় ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. মিনার মিয়ার নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, যুবদলের স্থানীয় নেতারা এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিসহ গ্রামের সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গ। বক্তারা মাধবদী গ্রামে মৃত ইল্লাল মিয়ার ছেলে স্থানীয় ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. রেনু মিয়া ও তাঁর সহযোগীদের সন্ত্রাসী, সুদখোর, মাদক কারবারি, চাঁদাবাজ ও ফ্যাসিবাদের দোসর হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শাহ্ আলম সরকার, স্থানীয় ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি মো. রাসেল মিয়া, হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি দিলীপ কর্মকার, মহিলা দল নেত্রী ফরিদা বেগম, মাধবদী গ্রামের বাসিন্দা নাজমা, সাহেনা, রেশমা, স্বপ্না ও খাইরুন্নাহার।

কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম আলী, ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি মো. কাইয়ুম মিয়া, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. রুবেল মিয়া ও ছাত্রদল কর্মী মো. সাকিবসহ শতাধিক স্থানীয় অধিবাসী।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ সেপ্টেম্বর দুপুরে কুলিয়ারচর থানার একটি মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা মো. রেনু মিয়াকে গ্রেফতার করতে তাঁর বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ। সেখানে হাতকড়া পরানোর পর স্থানীয় লোকজনের ভিড়ের সুযোগে রেনু মিয়া হাতকড়াসহ পালিয়ে যান। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে থানায় রেনু মিয়াকে প্রধান আসামি করে ১৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ২০-২৫ জনের বিরুদ্ধে পুলিশি কাজে বাধা ও হামলার অভিযোগে দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় থানা পুলিশের পক্ষ থেকে একটি মামলা (মামলা নং-১০) দায়ের করা হয়। মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা মো. রেনু মিয়াসহ তাঁর ছেলে মনিরের স্ত্রী ইতি আক্তার (২৩), প্রতিবেশী বোন সাদিয়া আক্তার (২০), প্রতিবেশী রত্না (৩০) ও আকলিমা (২৬) কে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করে পুলিশ।

ঘটনার পর গত ১৭ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগ নেতা রেনু মিয়ার পরিবার ও তাঁদের সমর্থকরা মাধবদী গ্রামে একটি সংবাদ সম্মেলন করেন। সে সময় তাঁরা দাবি করেন, মেয়ে সংক্রান্ত ঘটনায় মাধবদী কর্মকারপাড়ার সজিব রায় (৩৫) নামে এক সিঙ্গাপুরপ্রবাসীর পরিবারকে ব্ল্যাকমেইল করে তাদের কাছে স্থানীয় ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. মিনার মিয়াসহ তার সহযোগীরা চাঁদা দাবি করার বিরোধিতা করায় রেনু মিয়াকে পুলিশে ধরিয়ে দেয়ার পাশাপাশি তার পরিবারের সদস্যদের হয়রানি করা হচ্ছে। ওই সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও একাধিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়।

গত ১৭ সেপ্টেম্বরের সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগ নেতার পরিবারের দেয়া চাঁদা দাবির অভিযোগকে সম্পুর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উড়িয়ে দেন বক্তারা। তারা বলেন, “পুলিশ কার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে বা কাকে গ্রেফতার করবে-সেটি পুলিশের আইনি প্রক্রিয়া। এর সাথে আমাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। অথচ আমাদের হেয় প্রতিপন্ন করতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য ও অপপ্রচার চালানো হয়েছে।”

বক্তারা এ মিথ্যা অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এবং বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম এমপির সুদৃষ্টি কামনা করে সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক আইনানুগ বিচারের দাবি জানান।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: বাংলাদেশ হোস্টিং