1. admin@bdchannel4.com : 𝐁𝐃 𝐂𝐡𝐚𝐧𝐧𝐞𝐥 𝟒 :
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪৩ অপরাহ্ন

পাকুন্দিয়ায় গোয়ালের তালা কেটে চার লাখ টাকার ৫ টি গরু চুরি

এম এ হান্নান, পাকুন্দিয়া ( কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি।।
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬
  • ১৭৬ বার পড়া হয়েছে

 

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় গরু চুরির হিড়িক পড়েছে। কখন গোয়াল থেকে গরু চুরি হয় এই আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন এলাকার মানুষ। প্রতিরাতেই কোনো না কোনো এলাকায় হানা দিচ্ছে সংঘবদ্ধ চোরের দল। গত কয়েক মাসে এ উপজেলায় প্রায় অর্ধশতাধিক গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে।

সর্বশেষ শনিবার, ২০ জুন রাতে উপজেলার চন্ডিপাশা ইউনিয়নের চিলাকাড়া গ্রামের সরকার বাড়ি  থেকে গাভী বাচ্চা সহ ৫ টি গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। যার আনুমানিক মূল্য ৪ লাখ টাকা। এই ঘটনায় শনিবার  (২০ জুন) সকালে পাকুন্দিয়া থানায় গরুর মালিক লুৎফর  মিয়া বাদি হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে একটি অভিযোগ  দায়ের করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পিক-আপ দিয়ে রাতের শেষ দিকে গরু চুরি করে নিয়ে যায় সংঘবদ্ধ চোরেরা। যাওয়ার পথে কয়েকটি বাজার থাকে রাস্তায় এবং পুলিশের টহল বা চেকপোস্ট থাকে আর প্রতিটি বাজারে পাহারাদার থাকে তারা যদি মধ্য রাতের পরে পিক-আপ বা ট্রাকগুলি চেক করতে পারতো তাহলে গরু চুরি রোধ করা সম্ভব হতো।

পুলিশের নজরদারির অভাব আর রাত্রিকালীন টহল না থাকার কারণে চুরি ঠেকানো যাচ্ছে না বলে অনেকের অভিযোগ। সংঘবদ্ধ চোরের দল নানা কৌশলে একের পর এক চুরি করে যাচ্ছে।

এলাকাবাসীরা জানান, প্রায় প্রতি রাতেই গোয়াল ঘর থেকে চোরের দল চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে দরিদ্র কৃষকের সহায় সম্বল। যাদের গরু আছে তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষ জমানো সঞ্চয়, ধার-দেনা কিংবা ঋণ নিয়ে গরু কিনে তা লালন পালন করে থাকেন। সংসারে একটু স্বচ্ছলতা আনতে তারা অনেক কষ্ট করে থাকেন। গরুর দুধ বিক্রি করে পরিবারের খরচের টাকা যোগান। কৃষি নির্ভর পরিবারগুলো গরু দিয়ে চাষাবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করে। আর গরু চোরেরা যখন এসব মূল্যবান গরু চুরি করে নিয়ে যায় তখন হতদরিদ্র এসব পরিবারগুলো নিঃস্ব হয়ে পড়ে।

রাতের বেলায় যেসব সড়কে আলো থাকে না কিংবা অনেকটা নির্জন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা বেশি উন্নত বিশেষ করে সেসব এলাকায় চুরির ঘটনা বেশি ঘটছে।

ক্ষতিগ্রস্ত একাধিক ব্যক্তি জানান, গরুর ঘর থেকে রশি কেটে অথবা খুলে চোরচক্র গরু গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। তবে এসব ঘটনায় গরু চোরদের গ্রেফতার করতে না পারায় একের পর এক চুরির ঘটনা ঘটছে।

একাধিক ইউপি চেয়ারম্যানরা বলেন, প্রতিমাসে উপজেলায় মাসিক আইনশৃংখলা মিটিং আলোচনা হলেও চোর ধরা না পড়ায় কোন ভাবেই বন্ধ হচ্ছে গরু চুরি। এতে করে নিঃস্ব হচ্ছে সাধারণ কৃষক ও গরু খামারের উদ্যোক্তারা।

গরুচুরি বেড়ে যাওয়া প্রসঙ্গে পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস. এম আরিফুর রহমান দায়িত্বপ্রাপ্ত ওসি  জানান, তদন্ত অব্যাহত আছে। গরু চুরি রোধে পুলিশের নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: বাংলাদেশ হোস্টিং