
কঠোর পরিশ্রম, অদম্য মেধা আর বাবার লালিত স্বপ্নের বাস্তব প্রতিফলন ঘটিয়ে ডাক্তার হয়েছেন জান্নাতুল ফেরদৌসী সেতু। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধীনে অনুষ্ঠিত চূড়ান্ত এমবিবিএস পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে চিকিৎসা সেবার জগতে পা রেখেছেন তিনি।
ডা. জান্নাতুল ফেরদৌসী সেতু কিশোরগঞ্জ জেলার কুলিয়ারচরের কৃতি সন্তান, বিশিষ্ট আইনজীবী অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম আলমের জ্যেষ্ঠ কন্যা।
মেয়ের এই অসাধারণ সাফল্য ও চিকিৎসক হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই আনন্দে ভাসছে পুরো পরিবার। প্রিয় সন্তানের এমন মাহেন্দ্রক্ষণে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন বাবা অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম আলম। কৃতজ্ঞতায় চোখের কোণে দেখা দেয় আনন্দের অশ্রু। তিনি মহান সৃষ্টিকর্তার দরবারে অশেষ শুকরিয়া জ্ঞাপন করেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ডা. জান্নাতুল ফেরদৌসী সেতু শৈশব থেকেই অত্যন্ত মেধাবী ও পড়াশোনায় অনুরাগী ছিলেন। চিকিৎসক হয়ে সততা ও নিষ্ঠার সাথে ভবিষ্যতে সাধারণ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দেয়াই তাঁর মূল লক্ষ্য।
নিজের অনুভূতির কথা জানাতে গিয়ে আবেগপ্লুত বাবা অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম আলম বলেন, “একজন বাবা হিসেবে সন্তানের এই অর্জনে আমার আনন্দ ও অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। সে যেন তার অর্জিত শিক্ষা ও জ্ঞান দিয়ে সততা ও পেশাদারিত্বের সাথে আমৃত্যু মানুষের সেবা করে যেতে পারে-দেশবাসীর কাছে আমি সেই দোয়াই চাই।”
এদিকে কুলিয়ারচরের রত্ন ডা. জান্নাতুল ফেরদৌসী সেতুর এই সাফল্যমণ্ডিত অর্জনে কুলিয়ারচরের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ, আত্মীয়-স্বজন, সহপাঠী এবং শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাঁকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ নানাভাবে আন্তরিক অভিনন্দন ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা জানাচ্ছেন।
Leave a Reply