1. admin@bdchannel4.com : 𝐁𝐃 𝐂𝐡𝐚𝐧𝐧𝐞𝐥 𝟒 :
বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ০৯:৪৫ অপরাহ্ন

পাকুন্দিয়ায় পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে জলাবদ্ধতায় পানির নিচে ১০ একর কৃষিজমি

এম এ হান্নান, পাকুন্দিয়া  (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি।।
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬
  • ৫৬ বার পড়া হয়েছে

 

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার চরফরাদী ইউনিয়নের বর্ষাগাতী ও নামা মির্জাপুর এলাকায় পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে ভয়াবহ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে প্রায় ১০ একর কৃষিজমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ধানচাষি ও পানের বরজ মালিকরা। স্থানীয় কৃষকদের দাবি, দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া না হলে তাদের অপূরণীয় ক্ষতির মুখে পড়তে হবে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকার অধিকাংশ মানুষ কৃষির ওপর নির্ভরশীল। বছরে তিনটি ফসলের পাশাপাশি পানের বরজ করেই জীবিকা নির্বাহ করেন তারা। কিন্তু পানি চলাচলের স্বাভাবিক পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জমে থাকা পানি নামতে পারছে না। ফলে ধানক্ষেত ও পানের বরজে দেখা দিয়েছে চরম দুর্ভোগ।

বর্ষাগাতী গ্রামের কৃষক ছিদ্দিক হোসেন হরফে বাবুল মিয়া (৬০) বলেন,“কৃষিকাজ করেই আমার সংসার চলে। ৪৫ শতাংশ জমিতে পান চাষ করেছিলাম। কিন্তু পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় বরজে পানি জমে সব পানের গাছ পচে নষ্ট হয়ে গেছে। এতে আমি বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছি।”

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ইসরাইল মিয়া,রেজিয়া খাতুন, সবুজ, রতন মিয়া মিলে  কয়েকজন ব্যক্তি জায়গা ভরাট করে বাড়ি নির্মাণ করায় পানি চলাচলের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে পুরো এলাকার কৃষিজমিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক রিয়াজ উদ্দিন, ইউসুফ, সাহাব উদ্দিন, রফিক, মোজাম্মেল, হেলাল, রতন ও দুলাল মিয়াসহ অনেকেই জানান, খালের মুখে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হওয়ায় বিলের পানি নামতে পারছে না। এতে বর্ষাগাতী ও নামা মির্জাপুর গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকায় দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। কৃষকরা আশঙ্কা করছেন, এভাবে চলতে থাকলে অনেক জমি অনাবাদি হয়ে পড়বে।

কৃষক দুলাল মিয়া (৪৫) বলেন, “পানি নিষ্কাশনের রাস্তা না থাকায় ধানক্ষেত ও পানের বরজ পানির নিচে তলিয়ে গেছে। আমরা দ্রুত এ সমস্যার সমাধান চাই।”

অভিযোগের বিষয়ে রেজিয়া খাতুন বলেন, “সরকারি জায়গা দিয়ে খাল আছে, প্রশাসন সেটি উদ্ধার করে পানি ছাড়ার ব্যবস্থা করুক। আমার ব্যক্তিগত জায়গা দিয়ে পানি যেতে দেয়া হবে না।”

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইসরাইলের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে তার ছেলে লিটন বলেন, “আমাদের জায়গা দিয়ে পানি দেয়া হবে না।”

এ বিষয়ে“ রুপম দাস বলেন, ও সংশ্লিষ্ট প্রকৌশল বিভাগকে পানি অপসারণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেয়া হয়েছে।”

পাকুন্দিয়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক রিফাত জাহান বলেন, “ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: বাংলাদেশ হোস্টিং