1. admin@bdchannel4.com : 𝐁𝐃 𝐂𝐡𝐚𝐧𝐧𝐞𝐥 𝟒 :
সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৩৭ অপরাহ্ন

শিশু সন্তানকে ফেলে সহকর্মীর সঙ্গে পরকীয়া, বিচার চাইতে গিয়ে মারধরের শিকার স্বামী

উবায়দুল্লাহ রুমি, স্টাফ রিপোর্টার, ময়মনসিংহ।।
  • প্রকাশিত: রবিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৩৩১ বার পড়া হয়েছে

 

তিন বছরের অবুঝ শিশু সন্তানকে ফেলে সহকর্মীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়ানোর অভিযোগ উঠেছে আম্বালা ফাউন্ডেশনের কর্মী মিতু আক্তারের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বিচার চেয়ে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেও উল্টো মারধরের শিকার হয়েছেন তার স্বামী সাগর আহমেদ। বর্তমানে শিশুসন্তানকে নিয়ে চরম মানবেতর জীবন যাপন করছেন তিনি।

জানা যায়, জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ি উপজেলার ৩নং ডোয়াইল ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামের মৃত আফসার আলীর কন্যা মিতু আক্তারের সঙ্গে ২০১৮ সালে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় একই উপজেলার সাতপোয়া ইউনিয়নের চর সরিষাবাড়ি গ্রামের আব্দুল জব্বারের ছেলে সাগর আহমেদের। দাম্পত্য জীবনে তাদের একটি পুত্রসন্তান জন্ম নেয়, যার বয়স বর্তমানে তিন বছর।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, আম্বালা ফাউন্ডেশনের নরসিংদী জেলার কাপাসিয়া এরিয়ার দোলন বাজার শাখায় কর্মরত ক্রেডিট অফিসার রিয়াদ হোসেনের সঙ্গে চাকরির সুবাদে মিতু আক্তারের ঘনিষ্ঠতা গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে সেই সম্পর্ক পরকীয়ায় রূপ নেয়। এতে ভেঙে পড়ে সাগরের সাজানো সংসার এবং অনিশ্চয়তায় পড়ে শিশুসন্তানের ভবিষ্যৎ।

ভুক্তভোগী স্বামী সাগর আহমেদ জানান, মিতু তার সহকর্মী রিয়াদের প্রেমে পড়ে আমাদের সুখের সংসার তছনছ করে দিয়েছে। বিষয়টি আমি আম্বালা ফাউন্ডেশনের শাখা ব্যবস্থাপক মিল্টন সাহেবকে জানালেও তিনি কোনো সহযোগিতা করেননি। বরং তাদের দুজনকে অফিস ভবনের দ্বিতীয় তলায় একসঙ্গে থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিচার চাইতে গেলে তাকে মারধর করা হয় এবং এতে তার পাঁজরের একটি হাড় ভেঙে যায়। সাগর আহমেদ বলেন, আমি মিতু আক্তার, রিয়াদ হোসেন, ম্যানেজার মিল্টনসহ যারা এই অনৈতিক কাজে সহযোগিতা করেছে, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মিতু আক্তারের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। অপরদিকে অভিযুক্ত রিয়াদ হোসেন বলেন, আমি এখন অফিসে কাজ করছি, পরে কথা বলব।

আম্বালা ফাউন্ডেশনের কাপাসিয়া শাখার ম্যানেজার মিল্টন মারধরের বিষয়টি আংশিক স্বীকার করে বলেন, সন্তান রেখে পরকীয়ায় জড়ালে তাদের বিচার হওয়া উচিত। তবে আমি সাগরকে মারিনি, কেবল দু-একটা চড় দিয়েছিলাম। সবার সামনে রিয়াদ তাকে লাথি মেরেছিল।

এ বিষয়ে আম্বালা ফাউন্ডেশনের প্রশাসনিক বিভাগ জানায়, অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে এবং নৈতিকতা বহির্ভূত কর্মকাণ্ডে সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: বাংলাদেশ হোস্টিং