1. admin@bdchannel4.com : 𝐁𝐃 𝐂𝐡𝐚𝐧𝐧𝐞𝐥 𝟒 :
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৩:২৬ অপরাহ্ন

পাকুন্দিয়ায়  মসজিদের টাকা আত্মসাত ও মসজিদের নামে জায়গা ক্রয় নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন 

এম এ হান্নান, পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি।।
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬
  • ২০৫ বার পড়া হয়েছে

 

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলায় ফেসবুক লাইভে তারাকান্দি বাজার মসজিদের টাকা আত্মসাত ও মসজিদের নামে জায়গা কেনা নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে  সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

শুক্রবার, ৮মে সকালে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা অভিযোগ করেন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ফেসবুকে ছাত্রদলের সাবেক সদস্য আজিজুল হক মুন্না লাইভে এসে তারাকান্দি বাজারের ইজারা, মসজিদের আয়-ব্যয় ও জায়গা ক্রয় প্রক্রিয়া নিয়ে সম্পূর্ণ অসত্য, ভিত্তিহীন এব বানোয়াট তথ্য পরিবেশন করেছেন। লাইভে মসজিদের আর্থিক ও জায়গা ক্রয়ের দুর্নীতির যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা কেবল কাল্পনিকই নয় বরং একটি নির্দিষ্ট মহলের হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার অপচেষ্টা মাত্র। আমরা এই মিথ্যাচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

সংবাদ সম্মেলনে মসজিদের মোতয়াল্লি শফিকুল ইসলাম বলেন, তারাকান্দি বাজারের ইজারা প্রক্রিয়াটি সরকারি সকল নীতিমালা অনুসরণ করে অত্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে সম্পন্ন হয়েছে। জনগণের উপস্থিতিতে এবং প্রকাশে উন্মুক্ত যাচাইয়ের মাধ্যমেই সর্বোচ্চ দরদাতাকেই ইজারা প্রদান করা হয়েছে।

ফেসবুক লাইভে মসজিদের আয় ব্যয়ের যে হিসাব বা দুর্নীতির কথা বলা হয়েছে, তার সাথে বাস্তব নথিপত্রের কোনো মিল নেই। তাছাড়া মসজিদের ব্যয় ভাউচারের টাকা কমিটিতে উত্থাপনের পর যাচাই বাছাইয়ের পরে সর্ব সম্মতিক্রমে পাস হলে সভাপতি ও ক্যাশিয়ারের যৌথ স্বাক্ষরে ব্যাংক থেকে উত্তোলন করা হয়। লাইভে কোনো প্রমাণ ছাড়াই মনগড়া বক্তব্য দিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে।

ধারণা করা হচ্ছে, বাজার ইজারা প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়ে অযোগ্য ঘোষিত হওয়ায় অথবা ব্যক্তি স্বার্থ হাসিল করতে না পেরে অভিযুক্ত ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে এই অপপ্রচার চালাচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

মসজিদের জায়গা ক্রয় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মসজিদের জায়গা ক্রয়ের বিষয়টি অত্যন্ত পবিত্র ও স্পর্শকাতর। এই জমি ক্রয় করার ক্ষেত্রে দাতা, মসজিদ কমিটি এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে সকল দালিলিক প্রমাণাদি (Registry) ও আর্থিক লেনদেন স্বচ্ছতার সাথে সম্পন্ন হয়েছে। মসজিদের মতো একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে দুর্নীতির অভিযোগ তোলা অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার শামিল।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও প্রচলিত আইন অনুযায়ী কারো বিরুদ্ধে মানহানিকর ও অসত্য তথ্য ইন্টারনেটে প্রচার করা দণ্ডনীয় অপরাধ। আমরা ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রমাণাদি সংগ্রহ করেছি এবং অবিলম্বে এই কুরুচিপূর্ণ লাইভ ডিলিট করে ক্ষমা না চাওয়া হলে দোষিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও বক্তারা জানান।

আমরা ফেসবুক ব্যবহারকারী এবং সাধারণ জনগণকে অনুরোধ করছি, কোনো যাচাই-বাছাই ছাড়া এ ধরনের বিভ্রান্তিকর লাইভ বা ভিডিও দেখে বিভ্রান্ত হবেন না। সঠিক তথ্য জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মসজিদ কমিটির  সভাপতি শফিকুল ইসলাম রফিক মাস্টার, সহ-সভাপতি মাওলানা  মুস্তাকিভর রহমান,

সহ-সভাপতি  মুহাদের হাকিম, মো. হেলাল উদ্দিন,আ. হান্নান, মো. মিলন, মো. হিমেল মিয়া প্রমুখ। 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: বাংলাদেশ হোস্টিং