1. admin@bdchannel4.com : 𝐁𝐃 𝐂𝐡𝐚𝐧𝐧𝐞𝐥 𝟒 :
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ০৪:২১ পূর্বাহ্ন

হোসেনপুরের চরাঞ্চলে কোরআন শিক্ষার প্রসারে ব্যতিক্রমী আয়োজন

স্টাফ রিপোর্টার, হোসেনপুর, কিশোরগঞ্জ।। 
  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬
  • ৪২ বার পড়া হয়েছে

 

কোরআনের আলোয় জীবন আলোকিত করার প্রত্যয়ে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার সাহেবের চর গ্রামে অবস্থিত উসমান জুন্নুরাইন নূরানী হাফিজিয়া কওমী মাদ্রাসায় নূরানী সমাপ্তকারী ১৩ জন শিক্ষার্থীর নাজেরার সবক প্রদান ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‎শনিবার, ১৮জুলাই সকালে মাদ্রাসা ক্যাম্পাসে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে নাজেরার সবক প্রদান করেন হাফেজ মাওলানা মুফতি নাসির উদ্দীন।

‎এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মানোন্নয়ন, কোরআন শিক্ষার গুরুত্ব এবং চরাঞ্চলে দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।

‎মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা মাহবুবুর রাজ্জাক চঞ্চলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাফেজ মাওলানা মুফতি শরিফুল ইসলাম,মাওলানা রাফি।

এ ছাড়াও মাদ্রাসা শিক্ষক মাওলানা আজহারুল ইসলাম, হাফেজ ফয়সাল আহমেদসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, অভিভাবকবৃন্দ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

‎দিকনির্দেশনামূলক আলোচনায় বক্তারা বলেন, মনোরম পরিবেশে জেনারেল শিক্ষার সমন্বয়ে তিনজন অভিজ্ঞ শিক্ষক দ্বারা পরিচালিত এই মাদ্রাসা যদি তার শিক্ষার মান অক্ষুণ্ন রাখতে পারে, তবে কুরআনের আলো ছড়ানোর ক্ষেত্রে এটি কালের সাক্ষী হয়ে থাকবে।শিক্ষার  গুনগত মানের ভূয়সী প্রশংসাও করেন বক্তারা।

‎বক্তারা আরও বলেন, “কিয়ামতের দিন পুরো পৃথিবী ধ্বংস হয়ে গেলেও একমাত্র অক্ষুণ্ন থাকবে মহাগ্রন্থ আল কুরআন। আর যারা সন্তানকে কুরআনের হাফেজ বানানোর স্বপ্ন দেখেন, তাদের চেয়ে সৌভাগ্যবান আর কেউ হতে পারে না।”

‎নাজেরার সবক গ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, ‎“আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস—এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাই একদিন সমাজ ও দেশকে ইসলামের আলোয় আলোকিত করবে।”

‎জানা যায়, প্রত্যন্ত ও অবহেলিত চরাঞ্চলের মানুষের মাঝে ইসলামী শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে ২০২৫ সালে মাদ্রাসাটির যাত্রা শুরু হলেও তীব্র অর্থসংকটে একটি মাত্র টিনশেড ঘরেই পরিচালিত হচ্ছে সব ক্লাস। নেই পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ, টয়লেট ও টিউবওয়েলসহ নানা মৌলিক সুবিধা। তারা আরো বলেন, ‎“কোনো সরকারি বা বেসরকারি অনুদান ও সহায়তা পেলে এই অবহেলিত চরাঞ্চলেও ইসলামী শিক্ষায় একটি আলোকিত সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব হতো।”

‎অনুষ্ঠান শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: বাংলাদেশ হোস্টিং