
জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার চরপুটিমারী ইউনিয়নের ডিগ্রীরচর আকন্দ পাড়া এলাকায় আদালতে বিচারাধীন ও নিষেধাজ্ঞাধীন একটি জমিকে কেন্দ্র করে দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকার প্রতিনিধি ও বিডিচ্যানেলফোর এর স্টাফ রিপোর্টার, সাংবাদিক মো. মনির হোসেন ও তার পরিবারের সদস্যদের হুমকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় একটি মহলের বিরুদ্ধে।
জানা যায়, সংশ্লিষ্ট জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে এবং আদালতের নিষেধাজ্ঞা (ইনজাংশন) বিদ্যমান রয়েছে। তবে অভিযোগ রয়েছে, আদালতের নির্দেশনা উপেক্ষা করে প্রতিপক্ষ বিভিন্ন সময় ওই জমিতে হস্তক্ষেপের চেষ্টা চালিয়ে আসছে এবং এ বিষয়ে প্রতিবাদ করায় সাংবাদিক মনির হোসেন ও তার পরিবারকে নানাভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
শনিবার, ৩০ মে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ডিগ্রীরচর বাজারে বাজার করতে গেলে জিয়াউর রহমানসহ কয়েকজন ব্যক্তি তাকে প্রকাশ্যে হুমকি দেন। এ সময় জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
সাংবাদিক মো. মনির হোসেন বলেন, যে জমি নিয়ে বিরোধ, সেই জমি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন এবং আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তারপরও প্রতিপক্ষ আদালতের আদেশ অমান্য করে বিভিন্ন কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করায় আমাকে ও আমার পরিবারকে হুমকি দেয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
তিনি আরও বলেন, আমি ও আমার পরিবারের সদস্যরা বর্তমানে আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। যেকোনো সময় অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে। তাই প্রশাসনের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে এবং বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।
আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও বিরোধকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক সুষ্ঠু তদন্ত, আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন এবং হুমকিদাতাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি নিজের ও পরিবারের সদস্যদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বিডিচ্যানেলফোর এর জামালপুর প্রতিনিধি সাংবাদিক মনির হোসেনকে হুমকির বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধান সম্পাদক আহমাদ ফরিদ। তিনি সপরিবারে সাংবাদিক মনির হোসেনকে নিরাপত্তা দেয়া ও হমকিদাতাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় প্রশাসনের কাছে।
Leave a Reply