1. admin@bdchannel4.com : 𝐁𝐃 𝐂𝐡𝐚𝐧𝐧𝐞𝐥 𝟒 :
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১৭ অপরাহ্ন

দেড় বছরে কন্যা শিশু হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি তিন মাসপর গ্রেফতার

এম.আর. সোহেল, স্টাফ রিপোর্টার, ভৈরব, কিশোরগঞ্জ।।
  • প্রকাশিত: শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৩০৮ বার পড়া হয়েছে

 

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে পরকীয়ার জেরে দেড় বছরের কন্যা শিশু নুসরাতকে গলা টিপে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি আলমগীর মিয়া (৩২) কে ৩ মাস পর গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১৪ সিপিসি-২ ভৈরব ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল।

গ্রেফতার আলমগীর মিয়া ভৈরব উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের টান কৃষ্ণনগর গ্রামের শাহ জাহান মিয়ার ছেলে।

শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর  রাত ১ টায় উপজেলা শিবপুর ইউনিয়নের টান কৃষ্ণনগর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিডিচ্যানেলফোরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ভৈরব র‌্যাব ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সিনিয়র পুলিশ সুপার মো. মুহিত কবীর সের্নীয়াবাত।

এর আগে একই ঘটনার অভিযোগে অভিযুক্ত আরেক আসামি শিশু নুসরাতের মা আয়েশা খাতুন (২৫)কে ৭ জুন রাতে ঘটনাস্থল থেকে আটক করে ভৈরব থানা পুলিশ সদস্যরা।

অভিযুক্ত মা আয়েশা খাতুন ময়মনসিংহ জেলার ধোবাউড়া থানার চন্দ্রগুনা গ্রামের আব্দুল মান্নান মিয়ার মেয়ে ও নরসিংদী বেলাব থানার নিলক্ষীয়া গ্রামের ওমর ফারুকের স্ত্রী।

র‌্যাব ভৈরব ক্যাম্প সূত্রে জানা যায়, ৫ বছর আগে ধোবাউড়া থানার চন্দ্রগুনা গ্রামের আব্দুল মান্নান মিয়ার মেয়ে আয়েশা খাতুনের সাথে নরসিংদী বেলাব থানার নিলক্ষীয়া গ্রামের আবুল কালামের ছেলে ওমর ফারুকের সাথে বিয়ে হয়। বিয়ের পর দুই বছর তাদের সংসার ভাল চললেও পরবর্তীতে আলমগীরের জন্য সংসারে কলহ সৃষ্টি হয়। তাদের সংসারে আলিফ নামে ৩ বছরের ছেলে ও নুসরাত নামে দেড় বছরের মেয়ে রয়েছে। ওমর ফারুক ভৈরবের পাদুক শ্রমিক ছিল সেই সুবাদে দুই বছর আগে ওমর ফারুক শহরের জগন্নাথপুরের লক্ষ্মীপুর এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন। আলমগীরও পাদুকা শ্রমিক। একসাথে কাজ করতে গিয়ে ওমর ফারুকের পরিবারের সাথে আলমগীরের পরিচয় হয়। পরিচয়ের সূত্র ধরে আয়েশা খাতুনের সাথে অবৈধ প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে ৩ বছরের ছেলে আলিফকে স্বামীর বাড়িতে ফেলে রেখে আলমগীরের সাথে ভৈরব উপজেলার লক্ষ্মীপুর চলে আসেন আয়েশা। ওই এলাকার শাহীন কবীর নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে ভাড়ায় ওঠেন আয়েশা ও তার পরকীয়া প্রেমিক আলমগীর। ৭ জুন রাত ৭টায় মা আয়েশার বেগম চিৎকার চেঁচামিচি করে দেড় বছরের মেয়ে নুসরাতের মৃত্যুর খবর প্রতিবেশীসহ বাড়ির মালিককে জানায়। শিশুটির অস্বাভাবিক মৃত্যু ভেবে মা আয়েশা খাতুনকে পুলিশে তুলে দেন বাড়ির মালিক শাহীন কবীর। ৮ জুন নিহত শিশুটির দাদা আবুল কালাম বাদি হয়ে ভৈরব থানায় দুইজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

এ বিষয়ে ভৈরব র‌্যাব ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সিনিয়র পুলিশ সুপার মো. মুহিত কবীর সের্নীয়াবাত বলেন, শিশু নুসরাত হত্যার ঘটনায় ৮ জুন নিহত শিশুটির দাদা আবুল কালাম বাদি হয়ে শিশুটির মা আয়েশা ও তার পরকীয়া প্রেমিক আলমগীরকে আসামি করে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

ঘটনার পর থেকে আলমগীর পলাতক ছিল। র‌্যাব তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মামলার প্রধান আসামি আলমগীকে টান কৃষ্ণনগর এলাকা থেকে মোবাইলে লুডু খেলা অবস্থায় গ্রেফতার করে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা শেষে শুক্রবার সকালে আসামিকে ভৈরব থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: বাংলাদেশ হোস্টিং