
কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে মো. মুক্তার মিয়া নামের সাবেক এক ইউপি সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার, ২৬ অগাস্ট ভোরে ঘরের ভেতর তাঁর ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান স্বজনরা।
এর আগে মঙ্গলবার রাতে খাওয়ার পরআত্মীয়ের বাড়িতে ঘুমাতে যান তিনি। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার গোপদীঘি ইউনিয়নের নতুন চাঁদপুর গ্রামে।
নিহত মুক্তার মিয়া ওই গ্রামের মৃত কালা মিয়ার ছেলে। তিনি গোপদীঘি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে মুক্তার মিয়া তাঁর এক আত্মীয়ের বাড়িতে ঘুমাতে যান। বুধবার ভোরে স্বজনরা ঘরের ভেতর তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে ডাক-চিৎকার শুরু করেন। পরে আশপাশের লোকজন এসে তাঁকে নিচে নামান। খবর পেয়ে সকাল ১১টার দিকে মিঠামইন থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রিয়াজ হোসেন ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন। পরবর্তীতে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
এদিকে সাবেক এই জনপ্রতিনিধির অস্বাভাবিক মৃত্যুকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য ও নানা গুঞ্জনের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, ঘটনাটি কেবল আত্মহত্যা নাও হতে পারে। পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে মরদেহ ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যার নাটক সাজানো হয়েছে কি না-এমন আশঙ্কাও প্রকাশ করছেন অনেকে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে পুলিশ বা আইনশৃঙ্ক্ষলা বাহিনীর পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য কিংবা সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করছে পুলিশ। গোপদীঘি ইউনিয়নের এ ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে শোকের পাশাপাশি গভীর উদ্বেগ বিরাজ করছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ উদ্ঘাটনে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
Leave a Reply