
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে যৌতুকের জন্য গৃহবধূকে নির্যাতন মামলার পলাতক প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১৪, সিপিসি-২ ভৈরব ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল।
গ্রেফতার রহিম মিয়া (৩০) যৌতুকের জন্য গৃহবধূকে নির্যাতন মামলার প্রধান আসামি এবং ভৈরব উপজেলার বাসিন্দা।
বুধবার, ২২ অক্টোবর বেলা সোয়া দুইটার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে উপজেলার ভৈরব লঞ্চঘাট এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিডিচ্যানেলফোরকে বিষয়টি জানান, র্যাব-১৪, সিপিসি-২ ভৈরব ক্যাম্পের মিডিয়া অফিসার সিনিয়র সহকারী পরিচালক।
এজাহার সূত্রে জানা যায় যে, গ্রেফতার অভিযুক্তের সাথে ভিকটিম (২০) এর গত বছরের ১১ অক্টোবর পারিবারিকভাবে ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক বিয়ে হয়। অভিযুক্তকের চাহিদার প্রেক্ষিতে বিয়ের সময় যৌতুক বাবদ ভিকটিমের পরিবার নগদ ২ লাখ টাকা, ৩ ভরি স্বর্ণালংকার এবং ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের বিভিন্ন প্রকারের আসবাবপত্র প্রদান করে। অনুমান ৬ মাস পূর্ব থেকে অভিযুক্ত বিদেশে যাওয়ার কথা বলে ভিকটিমকে বাবার বাড়ি থেকে যৌতুক হিসাবে ৫ লাখ টাকা এনে দেয়ার জন্য অভিযুক্ত এবং এজাহার নামীয় অভিযুক্তগণ বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগসহ ভিকটিমকে শারীরিক ও মানুষিকভাবে নির্যাতন করে আসছিল।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৪ সেপ্টেম্বর বেলা অনুমান ১০টার দিকে অভিযুক্তসহ এজাহার নামীয় অভিযুক্তগণ ভিকটিমকে পরিবারের কাছ থেকে যৌতুক হিসাবে ৫ লাখ টাকা এনে দিতে বলে। ভিকটিম তাতে অস্বীকার করায় অভিযুক্তসহ এজাহার নামীয় অভিযুক্তগণ ভিকটিমকে গায়ের ওড়না দিয়ে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যার চেষ্টা করে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে বেদনাদায়ক জখম করে। পরবর্তীতে এ ঘটনায় ভিকটিম নিজে বাদি হয়ে ভৈরব থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলা রুজুর পর হতে র্যাব-১৪, সিপিসি-২ ভৈরব ক্যাম্প পলাতক অভিযুক্তকে গ্রেফতারে তৎপর হয়। এবং প্রধান অভিযুক্তকে অবশেষে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
গ্রেফতার রহিম মিয়াকে ভৈরব থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
Leave a Reply