
ময়মনসিংহের নান্দাইলে নিখোঁজ হওয়ার তিনদিন পর আলমগীর হোসেন আলীম (৩২) নামে এক যুবকের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর বিকেলে নান্দাইল মডেল থানা পুলিশ সংগ্রামখালি বাজারের পাশে একটি জঙ্গলে পরিত্যক্ত ডোবা থেকে মাটির নিচে চাপা দেওয়া অবস্থায় তার মরদেহটি উদ্ধার করে। নিহত যুবক স্থানীয় মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় তাকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে নিহতের পরিবার।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত আলমগীর হোসেন আলীম উপজেলার শেরপুর ইউনিয়নের সংগ্রামখালি গ্রামের আবুল কালাম ও মনোয়ারা বেগমের পুত্র।
গত বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর রাতে বাড়িতে খাওয়া-দাওয়ার পর তিনি সংগ্রামখালি বাজারের মৃত দুলাল মিয়ার ছেলে আতাবুরের দোকানে যান। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন।
এ বিষয়ে তাঁর পরিবার নান্দাইল মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) নথিভুক্ত করে।
শনিবার দুপুরে শিয়াল-কুকুরের অস্বাভাবিক আনাগোনা দেখে নিহতের ছোট ভাই শাহআলমের সন্দেহ হয়। সংগ্রামখালি বাজারের আতাবুরের দোকানের পেছনে জঙ্গলে মাটিতে সাদা রঙের পাউডার এবং সেখান থেকে দুর্গন্ধ ভেসে আসতে দেখে স্থানীয় লোকজনকে নিয়ে মাটি খুঁড়ে বস্তাবন্দি মরদেহটি দেখতে পান তিনি। তাৎক্ষণিকভাবে থানা পুলিশকে খবর দিলে নান্দাইল মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বস্তাবন্দি আলীমের মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহের পাশ থেকে একটি বঁটি দা এবং অদূরে বাপাইল বিল থেকে নিহতের পোশাক উদ্ধার করা হয়।
নিহতের চাচাতো ভাই শাহআলম অভিযোগ করে বলেন, “কয়েকদিন আগে স্থানীয় দোকানদার আতাবুর, সাইদুল, মাসুদ ও সাদেকের মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করেছিল আলমগীর। এরপর বুধবার থেকে সে নিখোঁজ হয় এবং শনিবার তার মরদেহ দেখতে পাই। আমরা ভাইয়ের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ফাঁসি চাই।”
নান্দাইল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকার জালাল উদ্দিন মাহমুদ বিডিচ্যানেলফোরকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি।
Leave a Reply