
কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে রাউতি গ্রামের বেলপাড়া চতুর্থ শ্রেণী শিক্ষার্থী ( ভিকটিমের সম্পর্কে দাদা) মতিউর রহমানের ধর্ষণের শিকার হয়েছে নাতি ।
এ নিয়ে ধর্ষিতার মা বাদি হয়ে তাড়াইল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
ঘটনা সূত্রে জানা যায়,ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত মতিউর রহমান ভুক্তভোগীর বাবার আপন মামা হয় এবং একই বাড়িতে তারা বসবাস করে আসছেন।
এবিষয়ে ভুক্তভোগীর মা বিডি চ্যানেলফোরকে জানান, ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত মতিউর রহমান সম্পর্কে আমার মামা শ্বশুর হন। মতিউর রহমানের মেয়ে ইমা আক্তার তার ঘরে একা থাকায় রাতে ঘুমাইতে তার ভয় করে বিধায় আমার নিকট এসে বলে যে,আমার মেয়ে যেন তার সাথে ঘুমায়,আমি বিবাদীর মেয়ের কথা রাজি হলে, গত ৭/৮ দিন যাবৎ আমার মেয়ে বিবাদীর মেয়ের সাথে রাতের বেলা ঘুমায়।
এমতাবস্থায়, গত ৯ সেপ্টেম্বর তারিখ রাত অনুমান সাড়ে ৯টার দিকে ভিকটিম রাতের খাবার খেয়ে বিবাদীদের বসত ঘরে বিবাদীর মেয়ে ইমার সাথে ঘুমাইতে চলে যায়।
রাতের বেলা ইমার দেবর আসে এবং দাওয়াত খাওয়ার জন্য বিবাদীর মেয়ে ইমা তার দেবরকে নিয়ে ইমার বড় ভাইয়ের ঘরে যায় এবং তখন ভিকটিম একাই ইমার ঘরে ঘুমাইয়া থাকে।
ঘর খালি পেয়ে সেই সুযোগে বিবাদী মতিউর রহমান গত ৯ সেপ্টেম্বর রাত্র অনুমান ১১টার সময় তার মেয়ে ইমার ঘরে প্রবেশ করে, ভিতর দিক থেকে ঘরের দরজা লাগিয়ে দেয়।
ভিকটিমকে একা শুয়ে থাকতে দেখতে পেয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিলে সে ঘুম থেকে সজাগ হয়।
তখন বিবাদী তার মুখ চাপা দিয়ে বিভিন্ন ভয় ভীতি দেখিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক ধর্ষণ করেন। ধর্ষণের পর অভিযুক্ত তাকে এই কথা কাউকে বললে তাকে খুন করা হবে বলে হুমকি দেন। এরপর তিনি ঘর থেকে বের হয়ে বাইরে চলে যান।
পরবর্তীতে ধর্ষিতা, ধর্ষিতা শিশু মতিউর রহমানের ঘর থেকে তার ঘরে এসে পরিবারের লোকজনদের ঘটনার বিস্তারিত জানায়।
ধর্ষিতার পরিবার মতিউর রহমানকে এই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি তাদেরকে বলেন, একথা কাউকে বললে তার ফল ভালো হবেনা।
ধর্ষণের ঘটনার বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে জানালে, তারা আপোষ মীমাংসার চেষ্টা করিয়া ব্যর্থ হয়ে ধর্ষিতার মাকে আইনের আশ্রয় গ্রহণ করতে পরামর্শ দেয়।
পরে নিরুপায় হয়ে ভিকটিমের মা শিশু ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে তাড়াইল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
এ বিষয়ে তাড়াইল থানার অফিসার ইনচার্জ সাব্বির রহমানের সাথে কথা বললে তিনি বলেন , রাউতি গ্রামের বেলপাড়া স্কুল পড়ুয়া শিশু শিক্ষার্থী তার আত্মীয় দ্বারা ধর্ষিত হয়েছে এবং একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত সাপেক্ষে নিয়মিত মামলা হয়েছে আইনগতভাবে মামলাটি প্রক্রিয়াধীন আছে।
Leave a Reply