
ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় ৬ষ্ঠ শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রীকে তুলে নিয়ে বাজারের পরিত্যক্ত ভবনের ছাঁদে উপর জোরপূর্বক ধর্ষণ চেষ্টায় কবির মিয়া (৩৭) নামে একজনকে আটক করেছে থানা পুলিশ।
রবিবার, ৩১অগাস্ট সকাল ৮টায় উপজেলার গাংগাইল ইউনিয়নের নান্দাইল রোড বাজারের মধ্যস্থলে একটি পরিত্যক্ত পাকা ভবনের ছাদে এ ঘটনা ঘটে।
এসময় স্থানীয় জনতা বিষয়টি টের পেয়ে তাকে আটক করে উত্তম-মধ্যম দিয়ে থানা পুলিশের হাতে সোর্পদ করে। নান্দাইল মডেল থানা পুলিশের উপ-পরির্দশক এসআই ছালেহুর রহমান ঘটনাস্থল পরির্দশন করে কবির মিয়াকে আটক করে থানা নিয়ে আসেন।
এ ঘটনায় ওই স্কুল ছাত্রীর মা বাদি হয়ে অভিযুক্ত কবির মিয়ার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।
সরেজমিন পরির্দশন ও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কবির মিয়া পাশ^বর্তী চন্ডিপাশা ইউনিয়নের পূর্ব বারুইগ্রামের আব্বাস আলীর ছেলে ও বিবাহিত। পরিবারে তার স্ত্রীসহ তিন সন্তান রয়েছে।
রবিবার, সকাল ৬টায় বরাবরের মতোই ওই ছাত্রী নান্দাইল রোড বাজারে কিরণ মাস্টারে বাসায় প্রাইভেট পড়তে যায়। পরে ৮টায় প্রাইভেট পড়া শেষে নিজ বাড়িতে যাওয়ার জন্য বাজারের মাঝ রাস্তায় দাঁড়িয়ে অটোর জন্য অপেক্ষা করছিল। এসময় কবির মিয়া রাস্তার উপর মেয়েটিকে একা পেয়ে তাঁর মুখ চেঁপে ধরে জোরপূর্বক তাকে তুলে নিয়ে যায়।
আমিন সেখ নামে এক ব্যক্তি ছাত্রীটিকে তুলে নেওয়ার বিষয়টি দেখতে পেয়ে ওই বাজারের ব্যবসায়ী ইব্রাহিমকে অবগত করেন এবং তারা মেয়েটির সন্ধান করতে গিয়ে মধ্য বাজারের পরিত্যক্ত ভবনের ছাদে গিয়ে ছাত্রীটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ চেষ্টারত অবস্থায় কবিরকে আটক করে। এসময় কবির তাদের হাত থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয় জনতা তাকে উত্তম-মাধ্যম দিয়ে থানা পুলিশের হাতে সোর্পদ করে।
প্রত্যক্ষদর্শী আমিন শেখ জানান, তিনি ওই বাজারের অনয় সাউন্ড সিস্টেমের একজন কর্মচারী। বিষয়টি দেখে একা প্রতিরোধ করতে সাহস না পেয়ে ব্যবসায়ী ইব্রাহিম মিয়াকে ঘটনাটি জানালে, তারা দুজন্ মিলে অভিযুক্ত কবিরকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করেন। ইব্রাহিম মিয়া জানান, এসময় তাকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য দুই হাজার টাকা দিয়ে অনুরোধও জানিয়েছিল কবির, কিন্তু তিনি ছাড়েনি।
নান্দাইল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দাকার জালাল উদ্দিন মাহমুদ আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ ব্যাপারে বাদির অভিযোগের প্রেক্ষিতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Leave a Reply