
জামালপুরের ইসলামপুর পৌরশহরে বসত বাড়িতে যাতায়াতের রাস্তা না থাকায় গাঁওকুড়া দর্জিপাড়া এলাকার ১০টি পরিবার অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে।
ইসলামপুর পৌসভার ৬ নং ওয়ার্ডের গাঁওকুড়া দর্জিপাড়া এলাকায় রাস্তা দেওয়ার শর্তে মামুন সিদ্দিকী (৪৮) মাসুম সিদ্দিকী (৪৬)গংয়ের নিকট ২০ বছর আগে ক্রয়কৃত জমিতে বসতবাড়ি গড়ে তুলে দর্জিপাড়া এলাকার শিরিন, হাবুলসহ ১০টি পরিবার।
দীর্ঘদিন ধরে তারা চলাচলের রাস্তার প্রতিবন্ধকতার বিষয়টি জমি মালিকদের জানিয়ে,তাদের কাছে রাস্তা চেয়ে অনুরোধ করেও কোন লাভ হয়নি। সম্প্রতি তারা উল্টো রাস্তা না দিয়ে জমি বিক্রি করে চলে যেতে বলছে ভূক্তভোগীদের।
ভূক্তভোগী হাবুল জানান গত ১৫ দিন ধরে আমাদের চলাচলের রাস্তাটি টিনের বেড়া দিয়ে সম্পূর্ণ বন্ধ করায় অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছি আমরাসহ ১০টি পরিবার। প্রতিবাদ করলেই জমির মালিকরা আমাদের মারধর ও লাঞ্চিত করে।
ভূক্তভোগী শিরিনা আক্তার জানান আমার স্বামী বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অন্য উপজেলায় চাকরি করেন। আমার ঘরে একটি শারীরিক প্রতিবন্ধী পুত্র সন্তান রয়েছে। যাতায়াতের রাস্তা না থাকায় সময় মত হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তারা রাস্তা দিবে বলে জমি বিক্রি করে এখন উল্টো রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে। আমি নিরুপায় হয়ে জামালপুর কোর্টে একটি মামলা দায়ের করি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মামুন ও মাসুম বলেন, আমরা কারও রাস্তা বন্ধ করিনি, আমরা জমি বিক্রি করেছি, তারা আমাদের উম্মুক্ত বসতভিটা মধ্য দিয়ে এতদিন চলাচল করেছে। এখন বসতবাড়ির সমস্যা জন্য চারিদিকে টিনের বেড়া দিয়েছি, তারা বাড়ির ভিতর দিয়ে চলাচল করবে কোন সমস্যা নেই।
কয়েকদিন আগে গণমাধ্যম কর্মীরা সরজমিনে গেলে ঘটনার সত্যতা পান। গণমাধ্যম কর্মীরা আসার পর শিরিনা ও হাবুকে মারধর করে মামুন ও মাসুম গং। পরে শিরিনা আক্তার ইসলামপুর থানায় অভিযোগ করেন। মুঠোফোনে এই প্রতিবেদককে পুলিশ পরিদর্শক আমিনুল জানান তদন্তে গিয়েছিলাম বাদি এবং বিবাদিগণ তিন দিনের মধ্যে বসে একটা ফয়সালা করবে বলে জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, অভিযোগ পেয়েছি সহকারী ভূমি কমিশনার (ভূমি)’র কাছে দায়িত্ব দিয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Leave a Reply