
সারাদেশের মতো কিশোরগঞ্জে ডেঙ্গু– চিকুনগুনিয়ার দাপট বেড়েই চলেছে। এডিস মশার কামড় থেকে এ রোগের বিস্তার বলে বিশেষজ্ঞরা বলছেন।
সারাদেশে প্রতিদিন গণমাধ্যমে ডেঙ্গু ও চিকগুনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংবাদ বাড়ছে।
এডিস মশার প্রজনন ও লার্ভার ঘনত্ব অনেক বেশি। যে কারণে বিভিন্ন ধরনের রোগবালাই ছড়িয়ে পড়ছে।
তাই কিশোরগঞ্জে মশক নিধনে কার্যকর ও সমন্বিত উদ্যোগের ও ভেঙে পড়া জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার দাবি জানিয়েছেন দেশের ক্রেতা ভোক্তাদের জাতীয় প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ(ক্যাব) কিশোরগঞ্জ জেলা শাখা।
মশক নিধন কার্যক্রম ও ময়লা আবর্জনা পরিস্কারে পৌরসভা, স্থানীয় সরকারের সংস্থাসমুহ কোন পরিবর্তন দেখাতে পারে নি। আগের মতোই ঢিলেডালা ভাবে এসমস্ত কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ার কারণে শহরবাসীকে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হতে হচ্ছে-দাবি ক্যাবের।
পৌর প্রশাসক হিসেবে এডিসি রুবেল মাহমুদ, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক(উপসচিব) মমতাজ বেগম,ও পরে এডিসি নাহিদ সাহেব দায়িত্ব নেয়ার পর পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে গতি আনার চেষ্টা করা হলেও সে চেষ্টা গতি পায়নি। পরিচ্ছন্ন কার্যক্রমকে আরো জোরদার করতে হবে।
ভোক্তা সংগঠনের সভাপতি আলম সারোয়ার টিটু বলেন , মশাবাহিত রোগ থেকে মুক্তি পেতে হলে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করার কোনো বিকল্প নেই। আর এ কাজটি পুরোটাই পৌরসভার। শহরের নালা-নর্দমা, খাল ও বাসাবাড়ির নানা জায়গায় জমে থাকা স্বচ্ছ পানিও এডিস মশার প্রজননের উৎস স্থল ধ্বংস করার বিকল্প নাই। অথচ নালা-নর্দমা থেকে ময়লাগুলে তুলে রাস্তায় রাখার দীর্ঘদিনের চর্চাটি অব্যাহত থাকায় নালার ময়লা পুনরায় নালাতেই যাচ্ছে। বিপুল পরিমান পরিচ্ছন্ন কর্মী রয়েছে, তাদেরকে কাজে মনোযোগী করাতে হবে। শহরকে মশাবাহিত রোগের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে হলে পৌর কর্তৃপক্ষকে স্থানীয় প্রশাসন, রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ শহরবাসীকে সম্পৃক্ত করে জরুরি ক্রাস প্রোগ্রামে ঝাপিয়ে পড়তে হবে।
ক্যাব সভাপতি বলেন, সরকারি পর্যায়ে কিশোরগঞ্জে চিকুনগুনিয়া পরীক্ষার ব্যবস্থা না থাকায় বেসরকারী ক্লিনিক ও ল্যাবগুলিও এ সুযোগে মানুষের পকেট কাটার জন্য উৎ পেতে আছে। করোনাকালীন সময়ে বা যে কোন মহামারীতে ল্যাব টেস্ট, ওষুধ এমনকি ডাব নিয়েও কৃত্রিম সংকট তৈরী করে মানুষের পকেট কাটার উৎসব বন্ধে প্রশাসনের আরো কার্যকর ভুমিকা পালন করতে হবে।
বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন ক্যাব , কিশোরগঞ্জ জেলা সভাপতি আলম সারোয়ার টিটু, কার্যকর সভাপতি অ্যাডভোকেট মায়া ভৌমিক, সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসাইন রনি, যুগ্ন সম্পাদক সাদেক আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ আসাদ ও সাংগঠনিক সম্পাদক শরফুউদ্দিন সোহেল প্রমুখ।
Leave a Reply