
ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ত্রিশাল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মহাসড়ক দখল করে অবৈধ কাঁচা বাজার ও সিএনজি স্ট্যান্ড বসানোর কারণে প্রতিনিয়ত যানজট আর জনদুর্ভোগ দেখা দিয়েছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাসহ মহাসড়কে চলাচলকারী হাজার হাজার যাত্রী প্রতিনিয়ত দুভোর্গের শিকার হচ্ছেন। কাঁচাবাজার ও সিএনজি স্ট্যান্ডের কারণে চার লেনের মহাসড়ক এখন দুই লেনের সড়কে পরিণত হয়েছে। দিনরাত ২৪ঘন্টার মধ্যে এই-মহাসড়কে এক লেনের বেশী যান চলাচল করতে পারেনা। সড়কের দু’পাশেই বাজার ও সিএনজি স্ট্যান্ড এর ওপর আবার লোকাল শালবন বাসের কাউন্টার। এ যেন মড়ার উপর খাড়ার ঘা।
সরেজমিন দেখা যায়, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ত্রিশাল বাসস্ট্যান্ডের সরকারী নজরুল কলেজ গেইটের সামনে প্রতিদিনই বসে মাছ, সবজি ও ফলের বাজার। এতে নোংরা হচ্ছে পরিবেশ। চরমভাবে বিঘ্ন ঘটে যানবাহন চলাচলে। লেগে থাকে তীব্র যানজট। কখনও কখনও এই যানজট ঘন্টার পর ঘন্টা। ফুটপাতসহ সড়কে নিত্যদিন সবজির হাট বসায় সড়ক সংকুচিত হয়ে সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র যানজট। এখানেই আবার মহাসড়ক দখলে নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে যাত্রী উঠাচ্ছে তিন চাকার যানবাহন ও লোকাল শালবন বাস। এতে নিয়মিতই দীর্ঘ যানজট লেগেই থাকছে ওই এলাকায়। ফলে দুর্ভোগের মাত্রা বেড়ে যায় কয়েক গুণ। পাশাপাশি দুর্ঘটনারও আশঙ্কাও বাড়ছে।
ত্রিশাল পৌর শহরের এই কাঁচা ও সবজি বাজারের কোনো অনুমোদন নেই। মহাসড়কের ওপরই ইজারাবিহীন এই বাজার চলে দিন রাত ২৪ঘন্টা। রাত ৯ টা পর্যন্ত কাঁচাবাজার এতোটায় সম্প্রসারিত থাকে যে যানবাহনতো দূরের কথা, পথচারীদের পায়ে হেঁটে চলাও দুষ্কর হয়ে পড়ে। ওভার ব্রিজে উঠানামার স্থানেই এই বাজার বসায় যাত্রীদের ওভারব্রিজ ব্যবহারও প্রায় বন্ধের পথে।
ময়মনসিংহ সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোফাখখারুল ইসলাম বলেন, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে আমাদের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তবে জনবল না থাকার কারণে উচ্ছেদের কাজ বিঘ্নিত হচ্ছে।
Leave a Reply