1. admin@bdchannel4.com : 𝐁𝐃 𝐂𝐡𝐚𝐧𝐧𝐞𝐥 𝟒 :
সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:০১ অপরাহ্ন

পাকুন্দিয়ায়  জমজমাট কোরবানির পশুর হাট

এম এ হান্নান পাকুন্দিয়া( কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি।।
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ জুন, ২০২৪
  • ২৯৩ বার পড়া হয়েছে

 

আর মাত্র তিনদিন রয়েছে মুসলিম উম্মার দ্বিতীয় প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদ-উল আজহার। কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলায় সারাদেশে ন্যায় কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে জমে উঠেছে জমজমাট কোরবানির পশুর হাট। শুক্রবার, ১৪ জুন সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে পাকুন্দিয়া উপজেলার কোদালিয়া বাজার, মির্জাপুর,হোসেন্দী, নারান্দি,পুলেরঘাট,মঠখলা, জাঙ্গালিয়া বাজারসহ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বসতে শুরু করছে পশুর হাট।

হাটগুলো ক্রেতাদের পদচারণায় সরগরম থাকলেও দাম সাধ্যের বাইরে থাকায় অনেক ক্রেতাই দাম কমার অপেক্ষা করছেন। তবে, দুই একদিনের মধ্যে ক্রেতারা কোরবানির পশু কিনতে শুরু করবেন বলে মনে করছেন হাটে পশু বিক্রি করতে আসা ব্যবসায়ীরা। সরেজমিনে গিয়ে মির্জাপুর পশুর হাটে ঘুরে কথা হয় ক্রেতা বিক্রেতাদের সঙ্গে। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার দাম কিছুটা বেশি মনে করছেন এ হাটে আসা ক্রেতারা। লোক সমাগম অনেক হলেও বেচা বিক্রি জমে উঠেনি বলে জানালেন একাধিক বিক্রেতা। ঈদ যত কাছে আসছে পশুর হাটের ভিড় ও আস্তে আস্তে বেড়েই চলছে।

শেষ মুহুর্তে আরো বেশি ভিড় বাড়বে এবং রাতব্যাপী  বেচা-কেনা চলবে বলে জানিয়েছেন ক্রেতা-বিক্রেতা ও গরুর বাজার কর্তৃপক্ষ। অন্যদিকে বাজারগুলোতে জাল টাকা শনাক্তকরণে কোনো যন্ত্র না থাকায় ক্রেতা-বিক্রেতার ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। পশুর হাট-ঘুরে আরো দেখা যায়, সম্পূর্ণ হাট ছিল গরু, ছাগলসহ বিভিন্ন পশুতে পরিপূর্ণ। তবে দাম বেশি থাকায় মধ্যবিত্ত এবং নিম্নবিত্ত মানুষকে হিমশিম খেতে দেখা গেছে। তবে অন্য বছরের তুলনায় এবার দাম একটু বেশি। অনেক ক্রেতাদের কোরবানির পশু না কিনে খালি হাতে ফিরে যেতে হয়েছে। তবে আরো কয়েক দিন অপেক্ষা করে কোরবানির পশু কিনবেন বলে জানিয়েছেন অনেকে।

বাজারে দাম বেশি থাকায় অনেক বিক্রেতাকেও তাদের আমদানিকৃত গরু বিক্রি না করে ফিরিয়ে বাড়িতে নিয়ে যেতে হয়েছে। এদিকে, ডিজিটাল তথ্য প্রযুক্তি ছোঁয়ায় আরো একধাপ এগিয়ে জমে উঠেছে পশুর হাট। অনেকেই স্মার্ট ফোনে ফোর-জি, থ্রি জি নেটওয়ার্কের আওতায় ইমো, স্কাইপিসহ বিভিন্ন অ্যাপ এর মাধ্যমে ভিডিও কলে বিদেশে অথবা বাড়িতে থাকা স্বজনদের গরু দেখাচ্ছেন এবং তারা ভিডিও কলে গরু দেখে দেখে পছন্দ করছেন কোনটা কিনবেন। এ ছাড়াও অনেকেই গরুর ছবি তুলে হোয়াটস আপের মাধ্যমে তাদের স্বজনদের শেয়ার করছেন। উপজেলার  মতিন মিয়া নামে এক বিক্রেতা জানান, গরম ও বৃষ্টির কারণে গরুর বাজারে দূরের ক্রেতা আসতে না পারায় বাজার অনেকটাই ক্রেতাশুন্য দেখা গেছে।

উপজেলার চন্ডিপাশা গ্রামে মাজারল ইসলাম এংরাজ নামে এক ক্রেতা জানান, দেশীয় গরু কিনতে বাজারে এসেছি, বাজারে দাম খুব বেশি তাই কোরবানির গরু কিনতে হিমশিম খাচ্ছি। আগামী বাজারে দাম আরো কমতে পারে বলে মনে করেন তিনি। কোদলিয়া স্কুল মাঠে স্থাপিত  বাজারে আ. মান্নান নামের এক গরু বিক্রেতা জানান, দীর্ঘদিন ধরে গরু লালন-পালন করেছি লাভের আশায়, যদি ভারতীয় গরু বাজারে না আসে তাহলে আমাদের দেশীয় গরুগুলো ন্যায্য মূল্য পাবো বলে আশা করছি।

পাকুন্দিয়া উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা মো. গোলাম মেহেদী  জানান, উপজেলার ১৩ টি গরুর হাটে এবং কোরবানির পশুর চাহিদা প্রায় সাড়ে ১৬ হাজার। তারচেয়ে বেশি পশু লালন পালন করেছেন গরু বিক্রেতারা। ক্রেতাদের গরু কিনতে কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়। 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: বাংলাদেশ হোস্টিং