
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে ফসলি জমিতে ভেকু মেশিন দিয়ে মাটি কাটার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী মুস্তাকিম মিয়া ওরফে মোস্তাদুল হক মিয়ার বিরুদ্ধে। এবিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মাটি কাটা বন্ধ করে দেয়।
মুস্তাকিম মিয়া ওরফে মোস্তাদুল হক মিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের চরপুবাইল গ্রামের মৃত শামছু মিয়ার ছেলে।
কৃষক মোস্তফা কামালের দাবি, তার আমন রোপিত জমির মাটি কাটার ফলে জমি নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি রোপিত ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
স্থানীয় এলাকাবাসী ও লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মুস্তাকিম মিয়া ওরফে মোস্তাদুল হক মিয়া বাড়ি বানানোর জন্য প্রতিবেশী মোস্তফা কামালের আমন ধানের ফসলি জমির মাটি জোরপূর্বক ভেকু মেশিন দিয়ে কাটছেন। স্থানীয় আশপাশের লোকজনসহ জমির মালিক মোস্তফা কামাল বাধা দিয়েও মাটি কাটা বন্ধ করতে না পেরে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মাটিকাটা বন্ধ করে দেয়।
রোপিত আমন ধান নষ্ট করে ভেকু মেশিন দিয়ে মাটি কাটার কারণে জমির শ্রেণি পরিবর্তন ও আশপাশের জমিও হুমকির মুখে পড়ছে। এ নিয়ে জমির মালিক ও স্থানীয় লোকজনের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও জমির মালিক মোস্তফা কামালের অভিযোগ, প্রতিবেশী মুস্তাকিম জোর করে তার আমন রোপিত ফসলী জমির মাটি ভেকু দিয়ে কেটে গর্ত করেছে। তিনি বাধা দিলেও তা না মেনে জোরপূর্বক মাটি কাটা চালিয়ে যান। পরে থানায় অভিযোগ দিলে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে মাটি কাটা বন্ধ করে দেন।
অভিযুক্ত মুস্তাকিম মিয়া ওরফে মোস্তাদুল হক মিয়া বলেন, ৮/৯ বছর পূর্বে মোস্তফা কামালের কাছ থেকে বাড়ি নির্মাণের জন্য ১৫ শতক জমি ক্রয় করেন। এতবছর পার হলেও ওই জমি তিনি লিখে দিতে পারেননি। তাই তিনি মোস্তফা কামালের এই জমিটি দখল করে বাড়ি বানানোর উদ্দেশ্যে মাটি কাটছেন। তবে মাটি কেটে নেয়া ফসলী এই জমি মোস্তফা কামালের কাছ থেকে তিনি ক্রয় করেননি।
এবিষয়ে ঈশ্বরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ওবায়দুর রাহমান জানান, লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়ে আসছে। দুই পক্ষকে থানায় ডাকা হয়েছে। দুই পক্ষের কাগজপত্র দেখে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Leave a Reply