
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলা পাটুয়াভাঙ্গা ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আমিনুল ইসলাম মেম্বারের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়ে।
মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ বিকেলে শিমুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে শিমুলিয়া গ্রামবাসী এই প্রতিবাদ সমাবেশের আযোজন করেন।
প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন আমিনুল ইসলাম মেম্বারের বড় ভাই মো. জাহাঙ্গীর আলম। তিনি বলেন আমার ভাই পাটুয়াভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ,৯নং ওয়ার্ড মেম্বার। গত ২৩ মার্চ তার বিরুদ্ধে পাকুন্দিয়া থানায় একটি মিথ্যা (মামলা নং- ২) মামলা রুজু হয়।
প্রকৃত পক্ষে ওই মামলার ঘটনার বিষয়ে আমরা অবগত নই। বিগত দিনে পাটুয়াভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের ভিজিএফ এর চাউল বিতরণে ব্যাপক অনিয়ম হয় এবং ইউনিয়ন পরিষদ থেকে আনুমানিক ৮ টন চাউল চুরি হয়। এই ঘটনার প্রতিবাদ করায় পাটুয়াভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আতাউর রহমান সুরুজ তার উপর ক্ষীপ্ত হইয়া যায় এবং বিভিন্নভাবে তাহাকে হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করিতে থাকে।
আমার ভাইর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার বাদী আ.ন.ম মির্জা হায়দার একজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। তিনি পাটুয়াভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যানের প্রত্যক্ষ মদদে এলাকায় মরণঘাতী নেশাদ্রব্য ইয়াবাসহ বিভিন্ন নেশাজাত সামগ্রী বিক্রয় করিয়া এলাকার যুব সমাজকে ধবংসের দিকে নিয়ে যাইতেছে। তাছাড়াও মামলার বাদি পুলেরঘাট আঞ্চলিক ছাত্রদলের সভাপতি হওয়ায় প্রভাব খাটাইয়া এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করিতেছে। এসব বিষয়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে মামলার বাদি এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সাথে আমার ভাইয়ের বিরোধ বেড়ে যায়।
তিনি আরো বলেন, মামলার ২ নং আসামি সিহাবের সাথে মামলার বাদির ইয়াবা বিক্রয়ের টাকা পয়সার ভাগ বাটোয়ারা নিয়া বিরোধের সৃষ্টি হইলে ঘটনার তারিখ ও সময়ে সিহাব অতর্কিতভাবে মামলার বাদির উপর আক্রমন করিয়া তাকে মারপিট করে। এতে মামলার বাদি গুরুতর জখমপ্রাপ্ত হয়। পরবর্তীতে আমার ভাইকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে পাটুয়াভাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান সুরুজ বাদিকে ফুসলাইয়া আমিনুল ইসলাম মেম্বারের কে আসামি করিয়া উক্ত মামলা দায়ের করে।
প্রকৃত পক্ষে উক্ত মামলার ঘটনার বিষয়ে আমরা মোটেও অবগত নই এবং উক্ত মামলার অপর আসামীদের সাথে তাহার কোন ধরনের সম্পৃক্ততা নেই।
প্রতিবাদ সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন ৮ নং ওয়ার্ডের মেম্বার আজিজুল ইসলাম হাদী, ৪,৫,৬ নং ওয়ার্ডের মহিলা সদস্য সীমা আক্তার শিমু , ৭,৮,৯ ওয়ার্ডের মহিলা সদস্য আছিয়া আক্তার , প্রত্যক্ষ সাক্ষী রুবেল।
প্রতিবাদ সমাবেশে এলাকার পুরুষ মহিলাসহ গ্রামবাসী উপস্থিত ছিলেন ও তারা উক্ত ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানান।
Leave a Reply