
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে ১৭ বছরের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবা নুরুল হক (৪৫) কে ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।
শনিবার, ২৯ অগাস্ট সকালে পুলিশ তাকে আদালতে পাঠালে আদালত তাকে কারাগারে পাঠায়।
এর আগে শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ভোরে ঈশ্বরগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা মোড় সংলগ্ন হাসপাতাল রোড থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার নুরুল হক উপজেলার উত্তর কাকনহাটি গ্রামের (৯ নম্বর ওয়ার্ড) মৃত হাসান আলীর ছেলে।
পুলিশ ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট রাত আনুমানিক তিনটার দিকে বসতঘরের বারান্দার রুমে ঘুমন্ত মেয়ের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন আপন বাবা নুরুল হক এবং তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ঘটনার পর ভুক্তভোগী ও তার মাকে নানা ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করেন নূরুল হক। ঘটনার তিন দিন পর মেয়েটি তার সৎ মাকে (৩০) বিস্তারিত জানায়।
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট রাত আনুমানিক ১১টার দিকে ভুক্তভোগীর মা বাদি হয়ে ঈশ্বরগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেন। বাদির নিজ বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলার মতলবাড়ী উত্তর পাড়া গ্রামে।
পুলিশ জানায়, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলার পাশাপাশি নুরুল হক ঢাকার বাড্ডা থানার দণ্ডবিধির ৩৯৪ ধারার একটি দস্যুতা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত ফেরারি আসামি ছিলেন।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ রবিউল আজম জানান, কিশোরী মেয়ের সৎ মায়ের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আগে থেকেই ঢাকার বাড্ডা থানায় দস্যুতা মামলার ওয়ারেন্ট ছিল। নারী ও শিশু নির্যাতন এবং দস্যুতা এই দুই মামলাতেই তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
Leave a Reply