1. admin@bdchannel4.com : 𝐁𝐃 𝐂𝐡𝐚𝐧𝐧𝐞𝐥 𝟒 :
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৩৬ অপরাহ্ন

মিঠামইনে প্রবাসীর টাকা আত্মসাতের অভিযোগে রিপন নামের এক প্রতারকের এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড  

মিঠামইন(কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি।।
  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ১৯৬ বার পড়া হয়েছে
মিঠামইন: প্রতারক রিপন মিয়া

 

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার  চমকপুর গ্রামের আকবর আলীর ছেলে রিপন মিয়া বিরুদ্ধে  প্রবাসী শেখ হারুনের টাকা আত্মসাৎ করে  লাপাত্তা হওয়ার অভিযোগে তাকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫৮ লাখ টাকার অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরো তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। গত ১৬ জানুয়ারি এ রায় ঘোষণা করেন আদালতের বিচারক।  

জানা গেছে, মিঠামইন উপজেলার চমকপুর গ্রামের  শেখ হারুন কুয়েত প্রবাসী। বহু বছর  প্রবাসে কেটেছে তার জীবন। গত  কয়েক বছর আগে দেশে আসলে তার নিজ গ্রামের প্রতারক রিপন মিয়ার খপ্পরে পড়েন হারুন।  প্রতারক  রিপন তাকে তার ব্যবসার পার্টনার হওয়ার জন্য প্রস্তাব দেন৷ তাকে  জানানো হয় ঢাকার তুরাগ উপজেলার ধউর নিশাত নগরে ইউরোম্যাক্স টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড নামে তার একটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। রিপন প্রবাসী হারুনকে প্রস্তাব দেন নতুন একটি সোয়েটার ফ্যাক্টরি নির্মাণ করার এবং ৫০ শতাংশ ব্যবসায়িক পার্টনার হওয়ার। এই মোতাবেক দুজনের মধ্যে একটি ব্যবসায়িক চুক্তি হয় এবং শেখ হারুন ৫৮ লাখ টাকা রিপনকে  দিয়ে আবার কুয়েতে চলে যান।

এদিকে চুক্তি অনুযায়ী যে লভ্যাংশ পাওয়ার কথা তা দিচ্ছিলেনা প্রতারক রিপন। প্রবাসী হারুন জানতে পারেন প্রতারক রিপন কোন ফ্যাক্টরি নির্মাণ করেনি। পরবর্তীতে অংশীদার হিসেবে দেয়া ৫৮ লাখ টাকা ফেরত চান প্রতারক রিপনের কাছে। কিন্তু রিপন টাকা ফেরত না দিয়ে তাল বাহানা শুরু করেন।

অনেক ঘুরিয়ে প্রতারক রিপন বিগত ২০২৩ সালের মে মাসের ১৮ তারিখে ৪০ লক্ষ টাকার দুটি চেক প্রদান করেন এবং মে মাসের ২৫ তারিখে ১৮ লাখ টাকার আরেকটি চেক প্রদান করেন। পরবর্তীতে ২০২৩ সালের জুনের ২৫ তারিখে এ চেকগুলো অগ্রণী ব্যাংকে নগদায়ন করতে গেলে রিপনের অ্যাকাউন্টে টাকা না থাকায় চেকগুলো ডিজঅনার হয়।

পরে প্রবাসী শেখ হারুন আইনের দারস্থ হন। এ বিষয়ে ২০২৩ সালের জুলাইয়ের ২৪ তারিখে এনআইঅ্যাক্ট ১৩৮ধারা মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করেন।

এ মামলায় ২০২৫ সালের জানুয়ারির ১৬ তারিখে বিজ্ঞ আদালত রায় ঘোষণা করেন। যাতে উল্লেখ করা হয় এনআইঅ্যাক্ট ১৩৮ ধারার অভিযোগ সাক্ষ্যপ্রমাণ দ্বারা সন্দেহাতীত প্রমাণিত হওয়ায় রিপনকে  দোষী সাব্যস্ত করে ১ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫৮ লাখ টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরো ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে রিপন সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের ঘনিষ্ট লোক হিসেবে এলাকায় পরিচিত।

বর্তমানে প্রতারক রিপন পলাতক রয়েছেন। এলাকার স্থানীয় বাসিন্দাদের তথ্য মতে জানা যায় রিপন শুধু কুয়েত প্রবাসী শেখ হারুনের সাথেই নয় এমন প্রতারণা আরো অনেকের সাথে করেছেন বলে সত্যতা পাওয়া যায়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: বাংলাদেশ হোস্টিং