
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কিশোরগঞ্জ সফরকে ঘিরে দলীয় নেতা-কর্মী ছাড়াও সাধারণ মানুষের মধ্যেও উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। চলছে প্রস্তুতিমূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ড। এই সফর কিশোরগঞ্জবাসীর জন্য এক ঐতিহাসিক সফর। এখান থেকেই উদ্বোধন করবেন নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেয়া দু্টি গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমের।
আগামী রবিবার, ১৬ অগাস্ট ১৬ কিশোরগঞ্জে আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরের অংশ হিসেবে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার মির্জাপুরে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষ্যে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্ত করার কথা রয়েছে তাঁর।
পরে কটিয়াদী উপজেলার কার্প হ্যাচারী পরিদর্শন করবেন এবং আচমিতা জর্জ ইনস্টিটিউট মাঠে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ এর উদ্বোধন এবং সারা বাংলাদেশ থেকে ১৮ জন শ্রেষ্ঠ মৎস্য উদ্যেক্তাদের হাতে পুরষ্কার তুলে দিবেন তিনি।
পরে বিকালে কিশোরগঞ্জ পুরাতন স্টেডিয়াম মাঠে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, অন্যান্য অনুদান প্রদান এবং মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিবর্গের সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করার কথা রয়েছে।
তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষ্যে শহরের নতুন স্টেডিয়ামে অস্থায়ী হ্যালিপ্যাড নির্মাণসহ চলছে নানান প্রস্তুতিমূলক কর্মকাণ্ড। সার্বিক পরিস্থিতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরির্দশন করেছেন বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।
এদিকে দলীয় নেতাকর্মী ছাড়াও এলাকার মানুষের মাঝে দিয়েছে আনন্দ উচ্ছ্বাস। কিশোরগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে সব ধরনের প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত হয়েছে বলে জানান কিশোরগঞ্জ-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম।
এ সফরে তারেক রহমান ফ্যামিলী কার্ড বিতরণের উদ্বোধন ছাড়াও ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে সরকারের গৃহীত উন্নয়ন কার্যক্রমের উদ্বোধন এবং জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, কিশোরগঞ্জ জেলা শাখা কর্তৃক আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে বেশ কয়েকদিন আগে পথে পথে বর্ণাঢ্য তোরণ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছিলেন উৎসাহী নেতাকর্মীরা। পরে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে পথে পথে তোরণ নির্মাণের বিষয়ে নিষেধ করা হলে তাঁর আগমনকে ঘিরে পথে পথে আর কোন তোরণ নির্মাণ করা হচ্ছেনা বলে নানা সূত্রে জানা গেছে। এছাড়া কোন মাইকিং, পোস্টার সাঁটানোর বিষয়েও প্রধানমন্ত্রীর অনাগ্রহের কথা জানানো হয়েছে সংশ্লিষ্টদের।
Leave a Reply