1. admin@bdchannel4.com : 𝐁𝐃 𝐂𝐡𝐚𝐧𝐧𝐞𝐥 𝟒 :
শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৬:৩১ পূর্বাহ্ন

তাড়াইলে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহিদ দিবস পালিত

হুমায়ুন রশিদ জুয়েল, তাড়াইল ( কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি।।
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৭৬ বার পড়া হয়েছে

 

যথাযোগ্য মর্যাদা ও গভীর শ্রদ্ধার মধ্য দিয়ে কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও মহান শহিদ দিবস পালিত  হয়েছে।

শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা ১ মিনিটে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিলা আখতারসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম ভূইয়া শাহিনসহ স্থানীয় রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, বীর মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ ভাষা শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি” গানের সুরে শহিদ মিনার প্রাঙ্গণ হয়ে ওঠে আবেগঘন।

শনিবার সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিলা আখতার এবং সঞ্চালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) জিসান আলী।

সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বিকাশ রায়, তাড়াইল থানার ইন্সপেক্টর  (তদন্ত) শ্যামল, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার  মো. এনামুল হক খান, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী হাসিফুর রহমান নাদিম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মেহেদী হাসান টিটু,তাড়াইল উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা প্রিয়া রায় এবং উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের আহ্বায়ক

 বীর মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিকুর রহমান,তাড়াইল   উপজেলা কেন্দ্রীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও জাতীয় দৈনিক ভোরের আকাশ জেলা প্রতিনিধি হুমায়ুন রশিদ জুয়েল প্রমুখ। এছাড়াও বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ ও স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন ছিল বাঙালি জাতির আত্মমর্যাদা ও সাংস্কৃতিক অধিকারের সংগ্রাম। তৎকালীন পাকিস্তান রাষ্ট্রে সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর ভাষা বাংলা হওয়া সত্ত্বেও উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এ দেশের ছাত্রসমাজ রক্ত দিয়ে অধিকার আদায় করে। তাঁদের আত্মত্যাগের ধারাবাহিকতায় ১৯৫৬ সালে বাংলা রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি লাভ করে। ভাষা আন্দোলনের চেতনা থেকেই পরবর্তীতে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীজ রোপিত হয় বলেও বক্তারা উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে উপজেলার একমাত্র ভাষা সৈনিক স্বর্গীয় গঙ্গেশ সরকারের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্রেস্ট প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিলা আখতার। ক্রেস্ট গ্রহণ করেন তাঁর পুত্র সাংবাদিক রবীন্দ্র সরকার। এ সময় উপস্থিত সবাই করতালির মাধ্যমে সম্মান জানান।

আলোচনা সভায় সাংবাদিক মুকুট রঞ্জন দাস প্রস্তাব উত্থাপন করে বলেন, উপজেলার একমাত্র ভাষা সৈনিক স্বর্গীয় গঙ্গেশ সরকারের স্মৃতি রক্ষার্থে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনের নাম তাঁর নামে নামকরণ করা হোক। তিনি বলেন, ভাষা আন্দোলনে তাঁর অবদান নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। প্রস্তাবটি উপস্থিত সুধীজনের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলে।

সভা শেষে ভাষা শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয় এবং মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় সকলকে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানানো হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: বাংলাদেশ হোস্টিং