
মিঠামইন উপজেলার ইউএনও খান মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন ধামরাইল উপজেলা কর্মরত থাকাকালীন নানা ধরনের অপকর্মে লিপ্ত থেকে কাড়ি কাড়ি টাকা কামিয়েছিলেন।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতার আন্দোলনের সময় তার নির্দেশে পুলিশ গুলিবর্ষণ করলে বহু ছাত্র জনতা গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছিলেন। গুলিবিদ্ধ হয়ে মারাও গেছেন কয়েকজন।
ওই সময় ছাত্র জনতার ধাওয়া খেয়ে ধামরাইয়ের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খান মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন তার বৃদ্ধ পিতা মাতাকে বাসভবনে ফেলে পালিয়ে গিয়ে আত্মগোপনে ছিলেন। তার বাসভবন ঘেরাও করা ছাত্র জনতা পিতা মাতাকে কোলে করে নিরাপদ আশ্রয়স্থলে পৌঁছে দিয়েছিলেন।। ওই সময় খান মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুনের কাড়ি কাড়ি পোড়া টাকার ভিডিও ফেসবুক, টুইটার ও টিকটকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। পরে তার বিরুদ্ধে ঢাকা জেলা প্রশাসক থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন এবং ইউ এনওর বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে তদন্ত কমিটির রিপোর্ট আজও আলোর মুখ দেখেনি। ঘটনার কিছু দিন পরই খান মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন পুরো বিষয়টি ম্যানেজ করে কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে বদলি হয়ে আসেন। এখানেও তিনি নানা অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন অবাধে।
Leave a Reply