1. admin@bdchannel4.com : 𝐁𝐃 𝐂𝐡𝐚𝐧𝐧𝐞𝐥 𝟒 :
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১৭ পূর্বাহ্ন

ইউপি প্রশাসক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তার অনিয়মিত উপস্থিতিতে ভোগান্তিতে বৌলাই ইউনিয়নবাসী

সাব্বির হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার।।
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৬৭ বার পড়া হয়েছে

 

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন, নাগরিক সনদ, বিভিন্ন ভাতার আবেদন এবং জমিজমা সংক্রান্ত জরুরি সেবা নিতে এসে প্রতিদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার বৌলাই ইউনিয়নবাসীকে। ইউপি প্রশাসক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তার  অনুপস্থিতিতে ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালত ও সালিস ব্যবস্থাও প্রায় অচল হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

সরেজমিনে দেখা যায়, পরিষদে সেবা নিতে আসা মানুষের উপচে পড়া ভিড়। প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে  মাঝে মধ্যে পাওয়া গেলেও প্রশাসকের কক্ষে ঝুলতে দেখা যায় তালা। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষায় থাকা মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করেন। দায়িত্বরত কর্মচারীরাও জানান, কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতির কারণে তারাও বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ছেন।

জানা গেছে, ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে বৌলাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আওলাদ হোসেন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার লক্ষ্যে পদত্যাগ করেছিলেন। পদটি শূন্য হয়ে পড়ে। পরে ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর আর উপনির্বাচন হয়নি। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসন নাগরিক সেবা সচল রাখতে মো. মোজাম্মেল হককে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেয়। তবে দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই তার অনিয়মিত উপস্থিতির অভিযোগ উঠেছে। ইউনিয়নবাসীর অভিযোগ, বর্তমানে নির্বাচিত কোনো চেয়ারম্যান না থাকায় প্রশাসক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তার  ওপরই পুরো দায়িত্ব থাকলেও তারা ইচ্ছেমতো দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। ফলে নাগরিক সেবায় স্থবিরতা তৈরি হয়েছে।

বৌলাই ইউনিয়নের পুঁথিপাড়া এলাকায় নাজমা আক্তার নামে এক নারী বলেন, পরিষদের চেয়ারম্যান নেই। দায়িত্ব পালন করেন প্রশাসক। তিনিও নিয়মিত আসেন না। প্রশাসনিক কর্মকর্তার দায়িত্বে যিনি আছেন, তিনিও সময় মতো আসছে না। এ কারণে ভাতার আবেদন করতে পারিনা। শুধু নাজমা আক্তার নয়, তার মতো অনেকেই পরিষদের নাগরিকরা কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছেন না। এতে নাগরিক সেবায় ভোগান্তি বেড়েছে।

বৌলাই ইউনিয়নের রঘুনন্দনপুর গ্রামের বাসিন্দা হাসান আল মামুন বলেন, আমার একটি জন্মনিবন্ধনের আবেদন অনলাইনে পড়ে আছে ৫-৬ মাস ধরে। অথচ আজ পর্যন্ত তা সমাধান হয়নি। নাগরিক সেবা যদি না-ই পাওয়া যায়, তবে এই ইউনিয়ন পরিষদ বা প্রশাসক দিয়ে আমাদের লাভ কী? উনারা দায়িত্ব পালন করতে পারলে সঠিকভাবে করুন, নাহয় পদ ছেড়ে দেক।

এই অব্যবস্থাপনার বিষয়ে জেলা প্রশাসককে জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: বাংলাদেশ হোস্টিং