
দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ও আন্দোলন-সংগ্রামের অভিজ্ঞতায় আলোচনায় পৌর যুবদলের আহ্বায়ক কিশোরগঞ্জ জেলা যুবদলের নেতৃত্বে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন নেতা আলমগীর হোসেনকে দেখতে চান দলটির তৃণমূলের ত্যাগী নেতাকর্মীরা। তারা মনে করছেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকার কারণে জেলা যুবদলের দায়িত্ব পেলে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ করতে তিনি ভূমিকা রাখতে পারবেন।
আলমগীর হোসেনের রাজনৈতিক জীবনের শুরু ছাত্রদলের রাজনীতির মাধ্যমে। নব্বইয়ের দশকে তিনি গুরুদয়াল সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি পৌর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি পৌর যুবদলের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
দলীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে আলমগীর হোসেন বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন। দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়ন, মিছিল-মিটিং ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে তার নিয়মিত উপস্থিতি ছিল বলে তারা জানান।
এ ছাড়া বিএনপির নেতাকর্মীদের দাবি, বিগত বছরগুলোতে সরকারবিরোধী বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে আলমগীর হোসেনকে মামলা, গ্রেফতার ও হয়রানির মুখোমুখি হতে হয়েছে। বিশেষ করে ২০২৪ সালের আন্দোলনকে ঘিরে কিশোরগঞ্জে যুবদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে তিনি সক্রিয়ভাবে মাঠে ছিলেন বলে দলীয় সূত্রে দাবি করা হয়েছে।
দলীয় নেতাকর্মীরা আরও জানান, ২০২৪ সালের আন্দোলনের সময় কিশোরগঞ্জে যুবদের বিভিন্ন কর্মসূচিতে আলমগীর হোসেনকে সামনের সারিতে দেখা গেছে। তার নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক তৎপরতা তৃণমূলের অনেক নেতাকর্মীর মধ্যে ইতিবাচক সাড়া তৈরি করেছে বলেও তারা দাবি করেন।
কিশোরগঞ্জ জেলা যুবদলের অনেক নেতাকর্মীর প্রত্যাশা, কেন্দ্রীয় যুবদল জেলার নেতৃত্ব নির্ধারণের ক্ষেত্রে আলমগীর হোসেনের দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক ভূমিকা বিবেচনা করবে। তাদের মতে, জেলা যুবদলের দায়িত্ব তার হাতে দেয়া হলে সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল এবং সাংগঠনিকভাবে সুসংগঠিত হতে পারে।
তবে জেলা যুবদলের নেতৃত্ব নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় সংগঠনের সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করছে। নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা, যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও তৃণমূলের মতামত বিবেচনা করে নতুন নেতৃত্ব নির্ধারণ করা হবে।
Leave a Reply