
ময়মনসিংহের নান্দাইলে ফেসবুকে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠায় প্রেমিকাকে দেখতে এসে খেলনা সাদৃশ্য পিস্তলসহ ধরা খেলো জিসান পারভেজ (১৫) নামের এক যুবক।
শনিবার, ২৯ নভেম্বর প্রেমিকার পরিবারের কাছ থেকে মুচলেখা নিয়ে ওই যুবককে ছেড়ে দেয় নান্দাইল মডেল থানা পুলিশ।
জানা গেছে, ওই যুবকের বাড়ি কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালি উপজেলার চরসাদিপুর গ্রামের লিবিয়া প্রবাসী মিঠু মিয়ার ছেলে। ফেসবুকের মাধ্যমে নান্দাইল উপজেলার রাজগাতী ইউনিয়নের উলুহাটি-শিমুলতলা গ্রামের বিল্লাল মিয়ার ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়ের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এরই প্রেক্ষিতে ওই যুবক কুষ্টিয়া থেকে ঢাকা হয়ে নান্দাইল শিমুলতলা বাজারে শুক্রবার ভোরে এসে পৌঁছে। পরে ওই যুবক তার সঙ্গে থাকা সাদৃশ্য পিস্তল সহ একটি স্কুল ব্যাগ নিয়ে এলাকায় দিনভর ঘুরাঘুরি করে। একপর্যায়ে শিমুলতলা এলাকার সোহাগ নামের এক যুবকের সাথে মৌখিক পরিচয় হয়। পরদিন শনিবার সোহাগের নিকট স্কুল ব্যাগটি রেখে মেয়ের সঙ্গে দেখা করতে যায় যুবক। এদিকে সোহাগ ব্যাগ খুলে এর ভিতরে পিস্তল সাদৃশ্য বস্তু দেখতে পেয়ে আশপাশের লোকজনকে বিষয়টি জানায়। পরে স্থানীয়রা ওই যুবককে ধরে পুলিশকে বিষয়টি জানায়। খবর পেয়ে নান্দাইল মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) সম্রাজ মিয়া ও এ.এস.আই ঝুটন চন্দ্র সরকার ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই যুবককে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পরবর্তীতে ওই যুবকের মা থানায় এসে মুচলেখা দিয়ে ছাড়িয়ে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
তবে যুবক জিসান পারভেজ প্রেমের সম্পর্ক স্বীকার করে বলেন, আত্ম সুরক্ষার জন্য তাঁর বড় ভাইয়ের মাস্টারকপি পিস্তলটি সে সঙ্গে নিয়ে এসেছিল। মেয়েটি আমার সাথে দেখা করার কথা বলেছিল, তাই এসেছিলাম। কিন্তু এটি আসল পিস্তল নয়, নকল পিস্তল।
এ বিষয়ে এস.আই সম্রাজ মিয়া ও এ.এস.আই ঝুটন চন্দ্র সরকার জানান, ‘ এটা একটি খেলনা পিস্তল, তেমন কিছুনা। তাই মুচলেখা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।
নান্দাইল মডেল থানার (ওসি) তদন্ত মোজাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমি ময়মনসিংহ জেলা শহরে আছি। এস.আই. সম্রাজ ও ঝুটন চন্দ্র সরকার তারা বিষয়টি বলতে পারবে।
Leave a Reply