
ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় সপ্তম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে (১৪) বাড়িতে একা পেয়ে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে মোস্তফা (২০) নামে এক বখাটে যুবকের বিরুদ্ধে।
বুধবার, ২৫ মার্চ বিকেলে উপজেলার শেরপুর ইউনিয়নের কোণা পাঁচরুখী গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় অপমানে ও লোকলজ্জার ভয়ে পরদিন ওই কিশোরী ঘরের সিলিং ফ্যানের সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করলে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে। বর্তমানে ওই কিশোরী মানসিকভাবে চরম বিপর্যস্ত অবস্থায় রয়েছে।
ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, অভিযুক্ত মোস্তফা ওই গ্রামের মো. চান্দু বেপারীর ছেলে। ভুক্তভোগী কিশোরী স্থানীয় ইমাম হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী। মোস্তফা দীর্ঘদিন ধরে ওই ছাত্রীকে উত্যক্ত করে আসছিল। ঘটনার দিন বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে সে ঘরে ঢুকে ছাত্রীর মুখ চেপে ধরে জোর করে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এসময় ছাত্রীর ফুফু দরজার বাইরে থেকে ডাকাডাকি শুরু করলে বাড়ির লোকজন এসে ঘরের ভেতরে ছাত্রীকে উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত মোস্তফাকে আটকে রাখে। পরে এক পর্যায়ে মোস্তফা ঘরের দরজা ভেঙে পালিয়ে যায়। ঘটনার পর থেকে মোস্তফা পলাতক রয়েছে। স্থানীয়রা জানায়, মোস্তাফা এরকম আরও ঘটনা ঘটিয়েছে।
এ ঘটনায় ছাত্রীর নানী ও মামলার বাদি মনোয়ারা খাতুন জানান, অভিযোগ তুলে নিতে অভিযুক্তের পরিবার বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চান।
অভিযুক্ত মোস্তফার বাবা চান্দু বেপারীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রথমে বিষয়টি জানেন না বলে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে ছেলেকে আটকে রাখার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “যাই হয়েছে, ছেলে বাড়িতে ফিরলে পরে বিষয়টি সমাধান করা হবে।
এ বিষয়ে নান্দাইল মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই সম্রাজ জানান, ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
Leave a Reply