প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন কিশোরগঞ্জে জাতীয় পর্যায়ে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
সোমবার, ১৭ অগাস্ট এরই অংশ হিসেবে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার লতিবাবাদ ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের এক হাজার ৯৮ জন উপকারভোগী নারী ইএফটির মাধ্যমে পাঠানো অর্থ উত্তোলন করেছেন। এর আগে ১৬ অগাস্ট পুরাতন স্টেডিয়ামে উদ্বোধনী দিনে প্রধানমন্ত্রী ১০ জনের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন।
সকালে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের লতিবাবাদ শাখায় দিনব্যাপী বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠান ও তদারকিতে ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী।
এছাড়াও অন্যান্যের মধ্যে যথাক্রমে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ডিএমডি আব্দুর রহিম, জিএম জামিল আহমেদ, জিএম সালাউদ্দিন রাজিব, কিশোরগঞ্জের মুখ্য আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক শরিফুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বিতরণ কার্যক্রম সার্বিক সমন্বয়ে ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক (লিড ব্যাংক) কিশোরগঞ্জ মুখ্য আঞ্চলিক কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক আনোয়ার হোসাইন।
কৃষি ব্যাংক কর্মকর্তারা জানান, গ্রাহক পর্যায়ে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের অংশীদারি হতে পেরে আমরা সত্যিই খুবই আনন্দিত।
লতিবাবাদ ইউনিয়নের বাসিন্দা জোবেদা আক্তার, মদিনা আক্তার, পারভীন আক্তার, রোজিনা আক্তার, জেরিন আক্তার, শিউলি, রহিমা, সোমাসহ আরও অনেকে জানান, ফ্যামিলি কার্ডের উপকারভোগী হিসেবে তারা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সহায়তা ও আর্থিক স্বস্তি পাবেন। এছাড়া এই কার্ড পাওয়ার ফলে পরিবার নিয়ে সংসার চালানো সহজ হয়েছে এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায় বা পারিবারিক প্রয়োজনে তারা সহযোগিতা পাচ্ছেন বলে জানান।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার লতিবাবাদ ইউনিয়নের নারী উপকারভোগীদের ইএফটির মাধ্যমে ফ্যামিলি কার্ডের অর্থ পাঠানো হবে। এর মধ্যদিয়ে অতিদরিদ্র, দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ নিম্নবিত্ত পরিবার মাসে দুই হাজার ৫০০ টাকা নগদ সহায়তা পাবেন।
চলতি বছরের অক্টোবরের শেষ নাগাদ পর্যায়ক্রমে কিশোরগঞ্জ জেলার সব উপজেলা ও ইউনিয়নে তথ্য সংগ্রহ ও কার্যক্রম শুরু হবে। এরপর যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ফ্যামিলি কার্ডের উপকারভোগী পরিবার নির্বাচনপ্রক্রিয়া শেষে ইএফটির মাধ্যমে তাদেরকে অর্থ প্রদান করা হবে।