ময়মনসিংহের নান্দাইলে বিএনপি নেতা মো. শহিদুজ্জামান মিল্টনের বিরুদ্ধে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং একের পর এক মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে এক ব্যবসায়িকে হয়রানি করার গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বুধবার, ১৭ জুন দুপুরে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মো: শফিকুল ইসলাম নান্দাইল পুরাতন বাজার (হাসপাতাল রোড) এলাকায় এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ অভিযোগ তুলে ধরেন এবং এর প্রতিকার দাবি করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মো. শহিদুজ্জামান মিল্টন নান্দাইল উপজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটির সদস্য।
ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম জানান, নান্দাইল পৌরসভাধীন সাব-রেজিস্ট্রি অফিস সংলগ্ন এলাকায় অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার (মরহুম) কাজী দেলওয়ার হোসেন ও তাঁর ছেলের কাছ থেকে ৩.২০ শতাংশ জমি ক্রয় করে নামজারি ও খাজনা সম্পন্ন করে তিনি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু ওই জমিতে কোনো মালিকানা না থাকা সত্ত্বেও শহিদুজ্জামান মিল্টন তার কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দেয়ায় মিল্টন প্রশাসনের কাছে একের পর এক মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে তাকে হয়রানি করছেন। যদিও প্রশাসনের তদন্তে প্রতিটি অভিযোগই মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে বলে শফিকুল ইসলাম জানান। এছাড়া শহিদুজ্জামান মিল্টন তার আপন ভাইয়ের স্ত্রী ও ভাতিজিকেও হুমকি দেয়ায় ইতিপূর্বে তার বিরুদ্ধে থানায় জিডি করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী শফিকুল ইসলাম আরও জানান, “অভিযুক্ত মিল্টন অত্যন্ত প্রভাবশালী, বেপরোয়া ও চাঁদাবাজ। চাঁদা না দিলে তাকে ১২ মাসের মধ্যে ১৪ মাসই জেলে রাখবে বলে হুমকিও দিয়েছেন, যার প্রমাণ তার কাছে রয়েছে। তাই তিনি মিল্টনের হয়রানির হাত থেকে রেহাই পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
অভিযুক্ত শহিদুজ্জামান মিল্টনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি চাঁদা দাবির বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, তাঁর পৈত্রিক সম্পত্তি শফিকুল ইসলাম বেআইনীভাবে দখলে নিয়েছে, তাছাড়াও সরকারি সম্পত্তি দখলে নেয়ায় শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেয়ায় তিনি মিথ্যা অপবাদ ছড়াচ্ছেন। আমি প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দিয়ে রেখেছি।