“মানবতাবাদীদের অঙ্গীকার, ফিরিয়ে আনবো মানবাধিকার” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশন (বিএমবিএফ) কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার অনুমোদিত কমিটির অভিষেক ও সাংগঠনিক পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার, ১৩ জুন সকাল ১১টায় কিশোরগঞ্জ জেলা পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, মানবাধিকারকর্মী, আইনজীবী, সাংবাদিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিএমবিএফের চেয়ারম্যান, সাবেক বিচারপতি ছিদ্দিকুর রহমান মিয়া এবং মহাসচিব ও নির্বাহী পরিচালক এস. এম. সাইফুর রেজা পৃথক শুভেচ্ছা বার্তা প্রদান করেন। বার্তায় তারা নবগঠিত কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার নেতৃবৃন্দকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা, ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ এবং মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করার লক্ষ্যে সংগঠনটি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে।
তাঁরা আশা প্রকাশ করেন, কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার নতুন নেতৃত্ব মানবাধিকার রক্ষা, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। একইসঙ্গে মানবাধিকার, ন্যায়বিচার, সামাজিক সম্প্রীতি ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে সংগঠনের সদস্যদের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতিবিরোধী অবস্থান, সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ এবং ভুক্তভোগী মানুষের আইনগত ও সামাজিক সহায়তায় সক্রিয় ভূমিকা পালনের অঙ্গীকার পাঠ করানো হয়। অঙ্গীকারপত্রে সংবিধান ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা, সংগঠনের আদর্শ ও শৃঙ্খলা রক্ষা, নিরপেক্ষ তদন্ত পরিচালনা, মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার ব্যক্তিদের পাশে দাঁড়ানো এবং ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে থেকে দায়িত্ব পালনের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের অনুমোদনক্রমে ২০২৬-২০২৭ মেয়াদের জন্য ৪১ সদস্যবিশিষ্ট কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়েছে। নবগঠিত কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মো. লুৎফুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. হাসান সারোয়ার রাজন।
বিএমবিএফ কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ জানান, জেলার শোষিত, বঞ্চিত ও অধিকারবঞ্চিত মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা, মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষায় সংগঠনটি নিরলসভাবে কাজ করবে।
অনুষ্ঠান সফল করতে উপস্থিত সকল অতিথি, গণমাধ্যমকর্মী, মানবাধিকারকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।