কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা,মিঠামইন ও অষ্ট্রগ্রাম উপজেলায় পাহাড়ি ঢল ও অতিবৃষ্টির কারণে সরকারি হিসেবে ৩৬ হাজার ২ শত ১০ মে, টন চাল বিনষ্ট হয়েছে| যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ২ শ’ কোটি টাকা| তবে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকের ভাষ্যমতে ক্ষতির পরিমাণ দ্বিগুণেরও বেশি|
উপজেলাভিত্তিক তথ্য জানিয়ে ইটনা কৃষিঅফিসার বিজয়কুমারহালদার বলেন, ইটনা উপজেলায় ৩ হাজার ৬ শ’ ৯৫ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতি হয়েছে| ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকের সংখ্যা প্রায় ১১ হাজার ৫০ জন| ক্ষতির পরিমাণ ১৬ হাজার ৯ শত ৯৭ মে. টনচাল|
মিঠামইনউপজেলা কৃষিঅফিসার মো. উবায়দুল ইসলাম খান অপু বলেন,মিঠামইন উপজেলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ জমির পরিমাণ ১ হাজার ৩ শত ৩৭ হেক্টর| ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকেরসংখ্যা ৪ হাজার ৭ শ’ জন| ক্ষতিগ্রস্থ চালের পরিমাণ ৪ হাজার ২ শ’ মে. টন|
অপরদিকে অষ্টগ্রাম উপজেলা কৃষি অফিসার অভিজিৎ সরকার বলেন,ক্ষতিগ্রস্থ জমির পরিমাণ ৩ হাজার ১ শত ৭৩ হেক্টর| ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকের সংখ্যা ১০ হাজার ৮ শত ৩০ জন| ক্ষতিগ্রস্থ চালের পরিমাণ ১৫ হাজার ৩ শত মে.টন|
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল আর অতিবৃষ্টির কারণে নদ-নদী, খাল-বিল ডুবার পানি হাওরাঞ্চলে বোরো ধানের ফসলি জমিতে উঠে কৃষকের সোনার ফসল ভেসে গেছে|