জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাককানইবি) বিভাগীয় ও দপ্তর প্রধানদের অংশগ্রহণে ‘Managing Job Stress and Burnout’ শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরনো প্রশাসনিক ভবনের কনফারেন্স কক্ষে এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি প্রশাসনিক কাজে ক্যাম্পাসের বাইরে অবস্থান করায় উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম অনলাইনে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা কর্মক্ষেত্রে মানসিক চাপ ও অবসাদ মোকাবিলায় নতুন জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করতে পারবেন বলে আমি আশাবাদী। বিশ্বব্যাপী শিক্ষাব্যবস্থার পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদেরও পাঠ্যক্রম ও একাডেমিক কার্যক্রম নিয়মিত হালনাগাদ করতে হচ্ছে। বার্ষিক পদ্ধতির পরিবর্তে সেমিস্টার পদ্ধতি চালুর ফলে দায়িত্ব ও কাজের চাপ বহুগুণ বেড়েছে। এ প্রেক্ষাপটে স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণ করে দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরও বলেন, প্রশিক্ষণার্থীরা যদি সামান্যতম উপকৃত হন, তাহলেই এ কর্মসূচিকে সফল বলে গণ্য করা হবে।বক্তব্যের শেষাংশে তিনি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সার্বিক সফলতা কামনা করেন।
প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী এবং ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার।
স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমান।
কর্মশালায় রিসোর্স পার্সন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সৈয়দ তানভীর রহমান। তিনি কর্মক্ষেত্রে মানসিক চাপ, বার্নআউটের কারণ, লক্ষণ এবং তা মোকাবিলার কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাশিওরেন্স সেল (আইকিউএসি) আয়োজিত এ কর্মশালায় সভাপতি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আইকিউএসি’র পরিচালক প্রফেসর ড. মো. সাহাবউদ্দিন।
প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী পর্ব সঞ্চালনা করেন ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের সহকারী পরিচালক (কাউন্সেলিং সাইকোলজিস্ট) মোছা. আদিবা আক্তার।
দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদ ও দপ্তরের বিভাগীয় প্রধানগণ অংশগ্রহণ করেন। কর্মসূচিটি অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও ইতিবাচক সাড়া সৃষ্টি করে।