নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম) সংসদীয় ১৬৫ আসনের প্রার্থীরা। তফসিল ঘোষণার পর ৯ জন প্রার্থী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ গ্রহণের জন্য মনোনীয় পত্র দাখিল করলে ২০ জানুয়ারি মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন আব্দুর রহিম মোল্লা কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্দেশে তার মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার নেয়ায় ৮জন প্রার্থী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করছেন।
বিএনপি থেকে বর্ষীয়ান রাজনীতিবীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান, জামায়াত থেকে অ্যাডভোকেট রোকন রেজা, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ থেকে খায়রুল ইসলাম ঠাকুর, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে অ্যাডভোকেট বিল্লাল আহমেদ মজুমদার, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি থেকে মো. জয়নাল আবদীন, ইনসানিয়াত বিপ্লব দল থেকে নুরুল ইসলাম, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ডা. মো. শাহীন রেজা চৌধুরী ও কাজী রেহা কবির প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
গত ২২ জানুয়ারী ভৈরবে তারেক রহমানের জন সভায় যোগদানের উদ্দেশ্যে বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান বাড়ি থেকে রওনা দিলে রাস্তার মধ্যে হঠাৎ অসুস্থতা বোধ করায় প্রথমে কিশোরগঞ্জ জহুরুল ইসলাম মেডিকেল হাসপাতাল ও পরে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় তার পক্ষ থেকে স্থানীয় নেতাকর্মীগণ সবার আগে বাংলাদেশ এই স্লোগানে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। জামায়াত থেকে অ্যাডভোকেট রোকন রেজা, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ থেকে খায়রুল ইসলাম ঠাকুর, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ অ্যাডভোকেট বিল্লাল মজুমদার ও স্বতন্ত্র দুই প্রার্থী নিজেদের পক্ষে প্রচার প্রচারণা চালালেও ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মো. জয়নাল আবদীন, ইনসানিয়াত বিপল্প দলের নুরুল ইসলামের মাঠ পর্যায়ে প্রচার প্রচারণা করতে এখনও দেখা যায় নি। বিগত তিন তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তরুণ ভোটাররা ভোট দিতে পারেনি বিধায় প্রত্যেক প্রার্থী নতুন ও তরুণ ভোটারদের নিজেদের দলে ভিড়ানোর পাশাপাশি ক্লিন ইমেজের আওয়ামী ঘরোয়ানার ভোটারদের দলে ভিড়িয়ে নেয়ার চেষ্টা করছে। তবে দশ দলীয় জোটের প্রার্থীর ক্ষেত্রে জামায়াতের প্রার্থী অ্যাডভোকেট রোকন রেজা দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ থেকে খায়রুল ইসলাম ঠাকুর রিকশা প্রতীকে প্রচার প্রচারণা চালানোয় এলাকায় ধুম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ ভোটারদের মধ্যে দাঁড়িপাল্লা ও রিকশা প্রতীকের প্রার্থীর বিষয় নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে দ্বিধা।
এবিষয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক উসমান গণি কাগজী এ প্রতিনিধিকে বলেন মূলত ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের জন্য এই আসনটি বরাদ্দ রাখা হয়েছিল। তারা এগার দলীয় জোট থেকে চলে যাওয়ায় এক প্রকার শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে। জোটগতভাবে আমাদের এখনও এ আসনটি নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি। প্রচার প্রচারণায় দশ দলীয় জোটের যে প্রার্থী এগিয়ে থাকবে দল তাকেই মনোনয়ন দিবে বলে জানান তিনি।