কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে মানসিক ভারসাম্যহীন ছেলের হাতে মা আশিলা বেগম (৬৭) খুন হয়েছেন।
শনিবার, রাত ১২টার পরে দিকে উপজেলার রাউতি ইউনিয়নের পুরুড়া গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহত আশিলা বেগম ওই গ্রামের মৃত শামছু মিয়ার স্ত্রী। এ ঘটনায় তাড়াইল থানার পুলিশ ছেলে জসিম উদ্দিনকে এখনো গ্রেফতার করতে পারেনি।
তাড়াইল থানা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত আশিলা বেগমের চার ছেলের মধ্যে ছোট ছেলে জসিম উদ্দিন (৩০) মানসিক ভারসাম্যহীন। ৫-৬ বছর ধরে তাকে পায়ে শিকল বেঁধে ঘরের ভেতরেই রাখা হতো। ঘটনার রাতেও জসিমকে আগের মতো শিকল দিয়ে খাটের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়। রাতের খাবার শেষে আশিলা বেগম ও জসিম একই ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। রাত ১২টার পরে অন্য রুমে থাকা পরিবারের এক সদস্য ঘরের দরজা খোলা দেখে ভিতরে গিয়ে দেখতে পান জসিমের পায়ের শিকল খোলা এবং সে ঘরে নেই। একই সঙ্গে আশিলা বেগমের দেহ নিথর অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়।
খবর পেয়ে তাড়াইল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে। নিহতের গলায় আঘাতের চিহ্ন থাকায় ধারণা করা হচ্ছে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।
তাড়াইল থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) শ্যামল মিয়া জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মানসিক ভারসাম্যহীন ছেলে জসিম উদ্দিন তার মাকে গলাটিপে হত্যা করে পালিয়ে গেছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়ে। আসামিকে ধরার চেষ্টা অব্যাহত আছে।