সরকারের যাবতীয় উন্নয়ন কার্যক্রম ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের অর্থের জোগান হিসেবে কর আইনজীবী ও কর সমিতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। তারা করদাতাদের সঠিক দিকনির্দেশনা ও সহায়তা প্রদান করে কর প্রশাসন ও করদাতাদের মধ্যে সেতুবন্ধন গড়ে তোলে। এ জন্য বার ও বেঞ্চের সমন্বয় সাধন খুবই জরুরি।
মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর দুপুরে কিশোরগঞ্জ জেলা কর আইনজীবী সমিতিতে এক মতবিনিময় সভায় নরসিংদী কর অঞ্চলের কর কমিশনার মু. মহিতুর রহমান এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, কর আইনজীবীরা সঠিক দিকনির্দেশনা ও দায়িত্বশীল আচরণ করব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে পারে। তাই রাজস্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যে তাদের অবদানকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা এবং নীতি নির্ধারণে তাদের অন্তর্ভুক্তি একান্ত প্রয়োজন।
কিশোরগঞ্জ কর আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট আবুল কাশেম'র সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন নরসিংদী কর অঞ্চলের যুগ্ম কর কমিশনার পরিদর্শী রেঞ্জ-৩ এম.এম শহীদুল্লাহ কায়সার, অতিরিক্ত কর কমিশনার পরিদর্শী রেঞ্জ-১ শেখ শামীম বুলবুল ও উপ কর কমিশনার সদর দপ্তর (প্রশাসন) মো. শামীম আহম্মেদ।
এছাড়াও কর আইনজীবী সালাহউদ্দিন আহম্মেদের সঞ্চালনায় বক্তৃতা করেন কিশোরগঞ্জের সিনিয়র কর আইনজীবী সাইফুল হক সোল্লা দুলু, শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
এ সময় জেলা কর আইনজীবী সমিতির সদস্য অ্যাডভোকেট মনসুর আলম বুলবুল, আবু তাহের, মাজহার মান্না, রাজন কুমার দেবনাথসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত: ময়মনসিংহ কর অঞ্চলের অধীনে কিশোরগঞ্জের ১৩টি উপজেলা মিলে মোট ৪টি কর সার্কেল অফিস ছিল। সম্প্রতি সরকারের নির্দেশনায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড নতুন এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জেলার কর সার্কেলগুলোর সাথে আরও ৮টি সংযুক্ত করে এবং নরসিংদী জেলার ১০টি ও ২টি কোম্পানী সার্কেল অফিস মিলে কিশোরগঞ্জ জেলাকে নরসিংদী কর অঞ্চলের সাথে ন্যস্ত করা হয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে নরসিংদী কর অঞ্চলের কর কমিশনার (চলতি দায়িত্ব) এর নেতৃত্বে শীর্ষ কর্মকর্তা নতুন সার্কেল অফিসের স্থান সরেজমিন পরিদর্শনসহ এ বিষয়ে কর আইনজীবীদের সাথে মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। এ সময় কর কমিশনার মহিতুর রহমান জানান, প্রতিটি কর সার্কেল অফিসের সাথে কর আইনজীবীদের কাজের সুবিধার্থে কর সমিতির জায়গা বরাদ্দ রাখা হবে।