কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে ১২বছরের এক শিশু ধর্ষণের চেষ্টা মামলার আসামি ও আসামির পরিবারের সদস্যরা মামলার বাদিকে প্রাণনাশের হুমকির দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সোমবার, ৯জুন বিকালে ধর্ষণের চেষ্টার শিকার শিশুর পিতা উপজেলার মধ্য অষ্টগ্রামের প্রতিবন্ধী কৃষক (৪২) অভিযোগ করে বলেন, গত সোমবার, ২ জুন সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তার ১২ বছরের মেয়ে স্থানীয় মাদ্রাসার ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী নানার বাড়ি থেকে নিজ বাড়িতে আসার পথে একই গ্রামের পল্লী চিকিৎসক সাজ্জাদ হোসেন সমুজ মেয়েটিকে ডেকে কৌশলে তার চেম্বারে নিয়ে দরজা বন্ধ করে মেয়েটির হাত বেঁধে ও মুখে স্কচটেপ লাগিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে।
এঘটনায় ওই দিন ওই ছাত্রীর বাবা বাদি হয়ে পল্লী চিকিৎসক সাজ্জাদ হোসেন সমুজকে আসামি করে অষ্টগ্রাম থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। আসামি প্রভাবশালী হওয়ায় মামলা দায়েরের পর থেকে আসামি ও আসামির স্বজনরা মামলা তুলে আনার জন্য বাদিকে চাপ প্রয়োগসহ প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে। এছাড়া আসামি প্রকাশ্যে ঘুরাফেরা করলেও তাকে গ্রেফতার করেছেনা পুলিশ এমন অভিযোগ করেন বাদি। এছাড়াও বাদি কান্নাকাটি করে বলেন, তার মেয়ে বর্তমানে খুবই অসুস্থ। তার চিকিৎসা চলছে।
এব্যাপারে অভিযুক্ত পল্লী চিকিৎসক সাজ্জাদ হোসেন সমুজ পলাতক থাকায় তাকে না পাওয়ায় তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
সোমবার, ৯ জুন বিকালে অষ্টগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ মো. রুহুল আমীনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বাদির অভিযোগের ঘটনার সত্যতা পেয়েছি, মামলা নিয়েছি। আসামি প্রকাশ্যে ঘুরাফেরা করার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না এমনকি হুমকি ধামকির বিষয়েও তার কাছে কেউ কোন অভিযোগ করেননি। যদি বাদিকে কেউ কোন প্রকার হুমকি ধামকি দিয়ে থাকেন তাহলে থানায় জিডি করলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।