ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ছাত্রলীগ নেতা ক্যাসিনো ব্যবসায়ী রবিউল আউয়াল শরীফসহ ৫জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার, ৯ মে গ্রেফতার আসামিদের আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ।
এর আগে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে পৌর শহরের চরনিখলা এলাকা থেকে ছাত্রলীগ নেতা শরীফকে এবং উপজেলার তারুন্দিয়া ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে অপর ৪ আসামিকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, শরীফ নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ঈশ্বরগঞ্জ পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
জানা যায়, শরীফের পিতা বাবলু মিয়া পেশায় ছিলেন একজন রাজমিস্ত্রি। বাবার স্বল্প আয়-রোজগারে কোন ভাবেই চলছিলো না সংসার। কিন্তু আ.লীগ শাসনামলে রাতারাতি কোটিপতি হয়ে যান রাজমিস্ত্রী বাবার ছেলে শরীফ। তিনি এখন কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও দামি গাড়ির মালিক। এলাকায় প্রশ্ন উঠেছে, কি এমন আলাদিনের চেরাগ পেয়ে রাতারাতি কোটিপতি হয়ে গেলেন শরিফ?
অনুসন্ধানে জানা যায়, এসব কিছুর পেছনে লুকিয়ে আছে শরীফের অনলাইন জুয়ার বিশাল নেটওয়ার্ক। এ নিয়ে যখন আলোচনা-সমালোচনা চলছিলো ঠিক তখনই অভিযান চালিয়ে ছাত্রলীগ নেতা ক্যাসিনো শরীফকে গ্রেফতার করে থানা-পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত অপর আসামিরা হলেন-পরোয়ানাভূক্ত রফিক মিয়া ও হাবিবুর রহমান, আব্দুল মতিন, আব্দুল কাদির। তারা সকলেই উপজেলার তারুন্দিয়া ইউনিয়নের ছোট রাঘবপুর গ্রামের বাসিন্দা।
এবিষয়ে ঈশ্বরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ওবায়দুর রহমান বিডিচ্যানেলফোরকে বলেন, বিশেষ অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সদস্য শরীফসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে পরোয়ানামূলে ৪ জন এবং শরীফকে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে গ্রেফতার দেখিয়ে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।