ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে আওয়ামী দোসর কর্তৃক দীর্ঘ ১৩ বছর যাবত বেদখলে থাকা নিজের কেনা জমিতে গেছে ভূক্তভোগী পরিবার। আর এটাই যেন অপরাধ! বিষয়টি নিয়ে ঘোলাপানিতে মাছ শিকার করছে একটি মহল। তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপ-প্রচার করে বিষয়টিকে ভিন্নখাতে নেওয়ার চেষ্টা করছে বলে জানান ভূক্তভোগী পরিবার। বিএনপি করার কথিত অপরাধে প্রকৃত জমির মালিকের কাছ থেকে জোরপূর্বক দীর্ঘ ১৩ বছর আওয়ামী নেতাদের নিয়ে দখলে নেন আওয়ামী লীগের দোসর ইমান আলী।
মঙ্গলবার, ৮ এপ্রিল রাতে এসব অপ-প্রচারের সংবাদ সম্মেলন করেন জমির প্রকৃত মালিক উসমান গণি বকুল।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী উসমান গণি বকুল বলেন, উপজেলার মগটুলা ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামে আমার কেনা ২০ শতক জমি ইমান আলী আওয়ামী দোসরদের সহযোগিতায় রাতের আঁধারে বিগত ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১২ সালে দখল করে নেয়। এনিয়ে মামলা করলে আদালত তিনবার আমার পক্ষে রায় দেন। কিন্তু আদালতের রায় অমান্য করে ইমান আলী আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে নিয়ে আমার জমি জোরপূর্বক ভাবে ভোগ দখল করতে থাকেন। গত ৫ অগাস্ট স্বৈরাচার পতনের পর কোন বাধা বিঘ্ন না থাকায় আমি আমার জমির দখল বুঝে নেই। আমার নিজ জমি দখলে নেওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে একটি মহল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিন্নখাতে নিয়ে রাজনৈতিক সুবিধা নিতে অপপ্রচার চালাচ্ছে। অথচ এটি আমার পারিবারিক এবং ব্যক্তিগত বিষয় এ নিয়ে কোন রাজনীতি করার সুযোগ নেই। এটা আমার কেনা বৈধ সম্পত্তি এবং আমার নামে নামজারি করা। আমি নিয়মিত খাজনা পরিশোধ করে আসছি। তারপরও বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক সুবিধা নিতে অপপ্রচার অব্যাহত থাকলে এর সাথে জড়িত সকলের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হব আমি। অপ-প্রচারের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে আমার মানহানির বিষয়টি বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে শোনান ভূক্তভোগী পরিবারের পক্ষে উসমান গণি বকুল। এসময় উপস্থিত ছিলেন মগটুলা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আকন্দ, সহ-সভাপতি শাহজাহান আলম, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আহসান হাবিব রিপন, মগটুলা ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি বর্তমান উপজেলা বিএনপির সদস্য বিল্লাল হোসেন প্রমুখ।