
*১১শ’ টাকার ভাড়া ৪ হাজার টাকা
ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ্যাম্বুলেন্স থাকলেও তার সুফল পাচ্ছেন না রোগিরা। গত দুই মাস যাবত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে রেফার হওয়ায় রোগিরা এ্যাম্বুলেন্স সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ফলে সরকারি এ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে বেশি অর্থ খরচ করে প্রাইভেট এ্যাম্বুলেন্সে সেবা নিতে হচ্ছে। এতে করে জনসাধারণকে অবর্ণনীয় ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একটি মাত্র এ্যাম্বুলেন্স আছে। তবে তা সচল থাকলেও গত দুই মাস যাবত গাড়ির ড্রাইভারের পদটি শূন্য থাকায় তা ব্যবহার করা যাচ্ছে না। আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া সেই এ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভারের চুক্তিভিত্তিক মেয়াদকাল শেষ হওয়ায় পদটি শূন্য হয়ে যায়। সরকারি এ্যাম্বুলেন্সে রেফার হওয়া রোগিরা ১১শ’ টাকায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যাওয়ার সুবিধা ভোগ করতেন। বর্তমানে ড্রাইভার না থাকায় অসাধু সিন্ডিকেটের কবলে পড়ে ২ থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত এ্যাম্বুলেন্স ভাড়া বাবদ খরচা করতে হচ্ছে। এমন ভোগান্তির শিকার হতে চান না সেবা নিতে আসা সাধারণ জনগণ।
হাসপাতালে সেবা নিতে আসা গাংগাইল ইউনিয়নের দিনা আক্তার জানান, বাবা হঠাৎই স্ট্রোক করলে দ্রুত নান্দাইল হাসপাতালে গিয়ে সেবা নিতে গেলে ডাক্তার আমার বাবাকে ময়মনসিংহ হাসপাতালে রেফার করে। পরে হাসপাতালের এ্যাম্বুলেন্সের ড্রাইভার না থাকায় তিন হাজার টাকায় ময়মনসিংহ হাসপাতালে যেতে হয়েছে। কি আর করবো, এই মুহুর্তে প্রয়োজন বিধায় যেতে হলো। তবে জনস্বার্থে বিষয়টি বিবেচনা করা দরকার। শেরপুর ইউনিয়নের রোগির স্বজন আবুল কালাম জানান, সরকারি এ্যাম্বুলেন্স না থাকায় রাতের বেলায় বেকায়দা পড়ে ৪ হাজার টাকা দিয়ে প্রাইভেট এ্যাম্বুলেন্স দিয়ে রোগিকে ময়মনসিংহ নিতে হয়েছে।
এ বিষয়ে নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: দিবাকর ভাট বলেন, আউটসোর্সিং বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দুই মাস যাবত ড্রাইভারের পদটি শূন্য রয়েছে। তবে বিষয়টি আমরা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি। ড্রাইভার পদে জনবল নিয়োগ দিলে সমস্যাটির সমাধান হবে আশা করছি।
Leave a Reply