
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ার সার্ভেয়ার মালেক হত্যা মামলার আরো দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১৪, সিপিসি-২ কিশোরগঞ্জ ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল।
গ্রেফতার দুইজনের মধ্যে হানিফ মিয়া(৩৬) পাকুন্দিয়া উপজেলার কুমারপুর গ্রামের মৃত মজলু মিয়ার ছেলে ও কুদ্দুছ(৩৫) একই গ্রামের রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে।
শনিবার, ১০ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৯টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে রাজধানীর উত্তরখান থানাধীন উজামপুর এলাকা থেকে হানিফ মিয়া(৩৬)কে ও একই দিন রাত ১০টার দিকে ভৈরব পৌর সদরের দূর্জয় মোড় এলাকা থেকে কুদ্দুছকে গ্রেফতার করা হয়।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, ৪ ফেব্রুয়ারি দুপুর ২টার কিছু পরে কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলার কুমারপুর পুরাতন জামে মসজিদের সামনের এলাকার একটি জমি জমা সংক্রান্ত গ্রাম্য শালিস শেষ করে একই গ্রামের মৃত মোহাম্মদ আলী আ. মালেক(৭৫) বাড়ি ফেরার পথে ভিকটিমের বসত বাড়ীর উঠানে পৌছামাত্র আসামী হানিফ মিয়া(৩৬), কুদ্দুছ(৩৫) এবং এজাহারনামীয় অন্যান্য আসামিগণ পূর্বপরিকল্পিতভাবে দেশীয় মারাত্মক অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বেআইনী জনতাবদ্ধে ভিকটিমের বসত বাড়ীর বাহির উঠানে অনধিকার ভাবে প্রবেশ করে পথের গতিরোধ করে হত্যার উদ্দেশ্যে গুরুতর জখম করে। এরপর আশপাশের সাক্ষী ও আত্মীয়স্বজন এসে ভিকটিমকে উদ্ধার করে প্রথমে পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। সেখানে ভিকটিমের অবস্থা আরও আশংকা জনক হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। ভিকটিমকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে গত ৪ ফেব্রুয়ারি রাত ৯টার কিছু পরে জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত ডাক্তার ভিকটিমকে মৃত ঘোষণা করেন।
ওই ঘটনায় ভিকটিমের ছেলে মো. রফিকুর ইসলাম(৩২), বাদী হয়ে পাকুন্দিয়া থানায় ০১টি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এরই ধারাবাহিকতায় পলাতক থাকা মামলার ৪ ও ১৩ নম্বর এজাহারনামীয় আসামির অবস্থান সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করে এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আসামীর অবস্থান নিশ্চিত তাদের গ্রেফতার করা হয়।
উক্ত মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারের জন্য র্যাব-১৪ এর অভিযান অব্যহত রয়েছে।
গ্রেফতার আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এর আগে একই দিন পাকুন্দিয়া থানা পুলিশ এই মামলার আরেক আসামি ছোটন মিয়া (৩২)কে গ্রেফতার করে।
Leave a Reply